🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

ধর্মীয় উসকানির মামলা: ফের পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়


❏ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৬ জাতীয়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলায় ২৪ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছাল। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ এ দিন ধার্য করেন।

khaleda-zia_23609_1472453507এই মামলায় আজ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্যদিন ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে হিন্দু সম্প্রদায়ের শুভ বিজয়ার অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। বক্তব্যে খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আছে। আসলে দলটি ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব ধরনের মানুষের ওপর আঘাত করে। আর লোক দেখানো ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেয়। ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরা এ জবর দখলকারী সরকারের হাতে কোনো ধর্মের মানুষই নিরাপদ নয়।

এ বক্তব্যের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ১৫৩ (ক) ও ২৯৫ (ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় খালেদার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিম মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর নালিশি মামলাটি করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর আদালত মামলাটি শাহবাগ থানার একজন পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। কিন্তু এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত আদালতে দাখিল করা হয়নি। উপরন্তু প্রতিবেদন জমা দিতে এ পর্যন্ত ২৪ বার আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে সময় দিলেন।