🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

শ্রদ্ধা-ভালবাসায় সিক্ত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ হক


❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬ Breaking News, ফিচার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। ফুলে ফুলে ঢেকে গিয়েছিল কবির কফিন।

14445964_10154453850104693_2108212503041365310_nবুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সৈয়দ হকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়।সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর কফিনে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল কবির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোর পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তার মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে জানাজার পর তাঁকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে জন্মস্থান কুড়িগ্রামে। সেখানে সরকারি কলেজ মাঠের পাশে কবির নির্ধারণ করে দেওয়া স্থানেই তাঁকে দাফন করা হবে।

এর আগে বেলা ১১টা ৯ মিনিটে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সৈয়দ হকের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছায়। এর আগে তেজগাঁও চ্যানেল আই’র প্রাঙ্গণে সৈয়দ হকের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে নেওয়া পৌনে ১১টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেওয়া হয় তার মরদেহ।।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ শামসুল হক। তিনি ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন। সৈয়দ হকের বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হক এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম কুড়িগ্রামে, ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর। কবিতা রচনার মধ্য দিয়ে তার সাহিত্য জীবনের শুরু; এরপর গল্প, উপন্যাস, কাব্যনাট্য, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য, অনুবাদ, স্মৃতি, ভ্রমণ, চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ও সঙ্গীত রচনাসহ সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে সৈয়দ শামসুল হক তার অসামান্য মেধা ও মননের স্পর্শ রাখেননি। ১৯৫৮ সালে ১৮ বছর বয়সে ‘একদা এক রাজ্যে’ তার প্রথম প্রকাশিত কাব্য। এরপর একটানা ৬০ বছর ধারাবাহিকভাবে তার কমপক্ষে ৩ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্য রচনাকেই তিনি জীবনের একমাত্র কাজ হিসেবে গ্রহণ করেন। সৈয়দ হক স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদকসহ, দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত।