কুড়িগ্রামে চিরনিদ্রায় শায়িত সৈয়দ হক

❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬ Breaking News, ফিচার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি- সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে তার জন্মস্থান কুড়িগ্রামে দাফন করা হয়েছে। বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়। প্রয়াত লেখকের ছেলে দ্বিতীয় সৈয়দ হক ও ভাই সৈয়দ আজিজুল হকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

34a860d3c2d10ab149b4e5137332932a-20এর আগে বিকেলে ৩টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে কবির মরদেহ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও আওয়ামী লীগ নেতা সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকও লাশবাহী হেলিকপ্টারে করে কুড়িগ্রামে আসেন।

সেখানে কুড়িগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কবির মরদেহ যৌথভাবে গ্রহণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জাফর আলী, জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র আবদুল জলিল, জেলা পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ ও কলেজের অধ্যক্ষ সাবিহা খাতুন।

হেলিকপ্টার থেকে কবির মরদেহ নামিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে রাখা হয়। সেখানে সকাল থেকে অপেক্ষায় থাকা কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাটসহ আশপাশের এলাকা থেকে হাজারো মানুষ কবির মরদেহে শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সেখানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নূর বখত। জানাজা শেষে লেখকের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের দক্ষিণ পাশে কুড়িগ্রাম চিলমারী সড়ক ঘেষে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ শামসুল হক। তিনি ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন। সৈয়দ হকের বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হক এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।