🕓 সংবাদ শিরোনাম

এক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যুশেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্বের বিস্ময় এখন বাংলাদেশ: কাদেরসেদিন অনেক ঝড় মাথায় নিয়ে দেশে আসতে হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

পেকুয়ায় মাকে পেটানো সেই ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ


❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

এফ এম সুমন, পেকুয়া প্রতিনিধি: শোয়া বিবি। বয়স সত্তর ছুই ছুই। দুই বছর আগে বাধ্যকজনিক রোগে ভুগে তাকে একা করে পরপারে চলে গেছেন স্বামী বদি আলম। ছয় সন্তানের জননী তিনি। চার মেয়ে ও দুই ছেলের সবাই বিবাহিত। দিনমজুর স্বামী মৃত্যুকালে বসত-ভিটে ছাড়া আর কিছু দিয়ে যেতে পারেননি তার পরিবারকে।

atok

ছেলে লেয়াকত আলী ও মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের বন কানন এলাকায় স্বামীর দিয়ে যাওয়া বসত-ভিটেতে বসবাস তার। দুই ছেলের আর্থিক টানাপোড়েন থাকায় জীবনের শেষ সময়ে এসেও নিজের জীবিকা নির্বাহ করেন অন্যের ঘরে কাজ করে। এর মধ্যেও জীবনের বাকি দিনগুলো কোন মতে কাটছিল তার। কিন্তু তার কোন মতে দিন কাটানোটাই ব্যাঘাত সৃষ্টি করে দিলেন নিজের ছেলে লেয়াকত আলী।

ভিটে ভাগাভাগির অজুহাতে মায়ের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন শুরু করে ছেলে। এমন কোন নির্যাতন বাকি নেই যে, তা মায়ের উপর চালায়নি। অভাগা সে মায়ের দেয়া বর্ণনা শুনলে চোখের পানি ধরে রাখা দায়। নিয়মিত মারধর, গভীর রাতে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার মত নিন্দনীয় কাজ করতে কার্পণ্য করে ছেলে লেয়াকত আলী।

পরে, স্থানীয়রা বসত-ভিটে ভাগ করে দিলেও পুরোটা দাবি করে ওই ছেলে। মায়ের কাছ থেকে লিখিত দান পত্র আদায়ের চেষ্টাও করে সে। আর তা না দেওয়াতে নিজ মায়ের উপর এমন নির্যাতন চালায় সে।

এতে ওই দূর্ভাগা মা অতিষ্ট হয়ে পরায় দারস্থ হয় টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর। চেয়ারম্যান বেশ কয়েকবার ওই ছেলেকে শুধরাতে চেষ্টা করে। কিন্তু ব্যর্থ হন তিনি। এমনকি তার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাওয়ায় মায়ের প্রতি আরো হিংস্র হয়ে উঠে ওই ছেলে। পরিশেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ওই ছেলেকে গ্রাম পুলিশ দিয়ে আটক করিয়ে পেকুয়া থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন ইউপি চেয়ারম্যান।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া মোঃ মোস্তাফিজ ভূঁইয়া সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, মা শোয়া বেগমের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে ছেলে লেয়াকতকে আসামী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যার নং- ১৯। আজ তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

তবে উল্লেখ্য যে, হায়রে হতভাগা মা বলেন আমার ছেলে যদি একবার মা বলে ডাকে আমি ওকে ভিক্ষে করে খাওয়াবো।