🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাংসদ রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী নুরু জোড়া খুনের মামলায় গ্রেপ্তার


❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

অন্তু দাস হৃদয়, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন নুরুকে জোড়া খুনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে আবেদন করলে আদালত আজ (২৯ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার তা গ্রহণ করেন। পরে এ মামলায় পুলিশ নুরুকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে।

graoter

টাঙ্গাইল -৩ ঘাটাইল আসনের সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাসির উদ্দিন নুরু গত শনিবার ফারুক হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠান।

পরে, টাঙ্গাইল শহরের চাঞ্চল্যকর মামুন ও শামীম হত্যা মামলায় নুরুকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত রবিবার টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম অঞ্জন কান্তি দাসের আদালতে আবেদন জানায়। আদালত আজ এ বিষয়ে আদেশ দেন।

টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং মামুন ও শামীম খুনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনার সঙ্গে নুরু সহ বেশ কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে। তাই নুরুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১২ইং সালের ১৬ জুলাই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পিচুরিয়া গ্রামের যুবলীগ কর্মী মামুন ও শামীমকে সাংসদ আমানুরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোর্শেদ ফোন করেন ডেকে নেন। এরপর থেকে মামুন ও শামীম নিখোঁজ রয়েছেন। পরে নিখোঁজ মামুনের বাবা হাতেম আলী ২০১৩ইং সালের ২১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় মামুন ও শামীমকে হত্যা করা হয়েছে।