আ.লীগের সম্মেলন: শুধু ঢাকায় আলোক সজ্জার খরচই প্রায় তিন কোটি টাকা

১:৩০ অপরাহ্ন | শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক – ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে দলের বরাদ্দকৃত বাজেটের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে না।দলের জাতীয় কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সম্মেলন উপলক্ষে সর্বমোট ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে । অথচ  শুধু ঢাকায় আলোক সজ্জার খরচই প্রায় তিন কোটি টাকা।

alor-bonna

তবে বাজেটের বাইরে যেসব টাকা খরচ হচ্ছে তা দলের প্রতিষ্ঠিত  নেতা ও কোনও কোনও মন্ত্রী ব্যয় নির্বাহ করছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা। নেতারা জানিয়েছেন, ব্যয়ের সঠিক পরিমাণ এখনই জানানো সম্ভব হবে না।

সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার দলীয় যে বাজেট ঘোষণা করা হয়ছে, তা কোনও উপ-কমিটিকেই ভাগ করে দেওয়া হয়নি। কোষাধ্যক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ চেয়ে নিচ্ছে এসব উপ-কমিটি। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এমন অনেক উপ-কমিটি রয়েছে যেগুলো দলীয় বাজেট থেকে কোনও বরাদ্দ এখনও নেয়নি।

সবচেয়ে বেশি ব্যয়ের খাত মঞ্চ ও সাজসজ্জা। মঞ্চ ও সাজসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন এমন একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সম্মেলন উপলক্ষে জমকালো আয়োজন করতে চাই আমরা। এখানে আলোকসজ্জা, মঞ্চ নির্মাণ, ঢাকার মূল সড়কে তোরণ নির্মাণ মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা খরচ হয়েছে ইতোমধ্যেই। এই অর্থ দলের নেতারা দিয়েছেন। তবে দলীয় ফান্ড থেকে সামান্য কিছু টাকা আমরা নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘সপ্তাহজুড়ে পুরো ঢাকায় আলোক সজ্জার খরচই প্রায় তিন কোটি টাকা হয়েছে। নৌকা প্রতীকের আদলে একটি মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। যেটা স্মরণকালের সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় মঞ্চ হবে। এছাড়া সম্মেলনস্থলে আসন বিন্যাসেও আমাদের বড় একটি ব্যয় যাচ্ছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ২৫ টি এলইডি মনিটর চলবে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।’ তিনি বলেন, ‘প্রায় কয়েক কোটি টাকা মঞ্চ ও সাজসজ্জায় ব্যয় হচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাজসজ্জা উপ-কমিটির সদস্য সচিব মির্জা আজম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খরচের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারবো না।’  তিনি বলেন, ‘শুধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে এয়ারপোর্ট, মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত আমাদের কমিটি আলোকসজ্জা করছে। ঢাকা শহরের বাকি জায়গাগুলো বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা করছেন। এছাড়া অন্য যা খরচ হচ্ছে, তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।