• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার পর পরিবার থেকে কে ধরছেন আঃ লীগের হাল

২:০৩ পূর্বাহ্ন | শনিবার, অক্টোবর ২২, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক –  সম্প্রতি দুটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, দলীয় পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হলে তিনি খুশী হবেন। তিনি এও বলেন, ৩৫ বছর নেতৃত্ব দিয়েছি আর কত? দলীয় সভাপতির এ বক্তব্যকে এখন বিভিন্ন মহল মনে করছেন শেখ হাসিনার পর বঙ্গবন্ধুর  পরিবার  থেকে কে ধরছেন আঃ লীগের হাল ,  সর্বত্রই আলোচনা কে হচ্ছেন পরবর্তী নেতা ।

ke-hochchen-neta

এই নিয়ে যেমন আলোচনা রয়েছে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীর মধ্যে তেমনি আলোচনা চলছে রাজনীতি সচেতন মানুষের মধ্যেও। কেউ কেউ ভাবছেন এবারে শেখ রেহানা আসছেন গুরুত্বপূর্ণ পদে আবার কারও কারও ভেতরে আলোচনা তৃতীয় প্রজন্মের উত্তরাধিকারী সজীব ওয়াজেদ জয়কে ঘিরে। এমনকি শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান সিদ্দিকী ববিকে ঘিরেও আলোচনার ডালপালা ছড়াচ্ছে।

দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, শেখ হাসিনার পরে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য কারও নেতৃত্বে আসতে হলে উৎকৃষ্ট সময় এখনই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বয়সজনিত কারণেই শেখ হাসিনার পক্ষে আসন্ন মেয়াদের পরে আবারও দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নেওয়া বেশ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তখন তার জায়গায় পরিবারটির মধ্য থেকে কাউকে আসতে হলে তারও তৈরি হতে কিছুটা সময় লাগবে। সেদিক থেকে শেখ হাসিনা নেতৃত্বে থাকাবস্থাতেই তারা তৈরি হতে পারবেন। দরকারি দিক নির্দেশনাও পাবেন তার কাছ থেকে।মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির জন্যও নতুন কারও কিছুটা সময় প্রয়োজন।এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে এবারই নেতা হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ—এটা অনেকটাই নিশ্চিত বলে ধরে নিচ্ছেন অনেকেই। যদিও যাদের নামে এত আলোচনা তারা কেউই প্রকাশ্যে বা আকার ইঙ্গিতে এমন কিছুই বলেননি। এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি স্বয়ং দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাও।

আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, দলটিতে নেতা হওয়ার একমাত্র উপায় সম্মেলন। সম্মেলন ছাড়া অন্য কোনও উপায়ে নেতা হওয়া যায় না। ফলে হয়ত এই সম্মেলনেই কেউ আসছেন। তাছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক  সাক্ষাতকারে বলেছেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের নেতা হওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই। এসব নানা হিসেব মেলালে শেখ রেহানা বা জয়ের রাজনীতিতে অভিষেক ঘটার সম্ভাবনা এবারের সম্মেলনে রয়েছে। তারা এসে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হতে সময় লাগবে ৩/৪ বছর। বিষয়টিও বিবেচনার বিষয় এখনই।