• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে সরকার অনেকটা বাঙালকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে

২:২৫ পূর্বাহ্ন | শনিবার, অক্টোবর ২২, ২০১৬ জাতীয়

সময়ের কন্থসর ডেস্ক – তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে সরকার অনেকটা ‌বাঙালকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে। তারা (সরকার) ভাড়া করা লোক টেলিভিশনে বসিয়ে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পক্ষে কথা বলিয়ে দেশের মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছে, এটা কোনো ক্ষতির কারণ হবে না। ভাড়া করা লোকেরা পণ্যের বিজ্ঞাপনের মতো কোম্পানির পক্ষে কথা বলে যাচ্ছেন।’

banggal-ke-haikot

আজ শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ শহরের রেলস্টেশন মালগুদাম এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) জেলা কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের ময়মনসিংহ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় আনু মুহাম্মদ এসব কথা বলেন। এ সময় আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, দেশের মানুষ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চায় না। চায় সুন্দরবন রক্ষা হোক। সরকার যদি সুষ্ঠুভাবে গণভোট নেয় তাহলে দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষই রামপাল চুক্তি বাতিল করে সুন্দরবন রক্ষার পক্ষেই ভোট দেবে। আর ৯৯ শতাংশ মানুষের মধ্যে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের নেতাও থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন দেশের মানুষের বেঁচে থাকার উৎস। আর বিদ্যুৎ মানুষের জীবনের সমৃদ্ধি আনার উৎস। উন্নয়নের কথা বলে সেই সুন্দরবনকে বিনাশ করার পাঁয়তারা চলছে। সুন্দরবন থেকে রামপাল ১৪ কিলোমিটার দূরে বলে সরকার যে প্রচার চালাচ্ছে, বাস্তবে তাও সত্য নয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে বছরে ৪৭ লাখ টন কয়লা পোড়ানো হবে। এসব কয়লার জাহাজ সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে পরিবহন করা হবে। আর কয়লা পরিবহনের কারণে নদী ও পরিবেশের যে দূষণ হয় তা সারা বিশ্বের মানুষ জানে।
প্রতিনিধি সভায় জাতীয় কমিটির ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক মোখছেদুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় ও ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নেতারা। তাঁরা রামপাল চুক্তি বাতিলের দাবিতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার কথা বলেন।