সংবাদ শিরোনাম

করোনায় মারা গেলেন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসানলকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সড়কে দীর্ঘ যানজট!৬ বছরের ছেলে সাহেলের প্রথম রোজা, আপ্লুত মাশরাফিকোরআন তেলাওয়াত, ইবাদতে প্রথম রোজা কেটেছে খালেদারভাঙ্গায় রাতের আঁধারে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট : আহত-১৫বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তরুণীর সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্র

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

`ফুলিশ অখন আর আমারে কিছু কয় না’ : বৃদ্ধ সিদ্দীক মিয়া

২:৪৮ অপরাহ্ন | রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর, স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর: একবার ছোটবেলায় বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়েছিলেন সিদ্দিক মিয়া। সেই থেকে মানুষটার জন্য তার সে কী মায়া। এখনও বঙ্গবন্ধুর কথা ভেবে তিনি কাঁদেন। দলের প্রতি, বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে হাজারো পাঠককে। ঘটনাটি জেনেছেন আওয়ামী লীগের নেতারাও। জেনেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও।pik-siddik-nouwa

আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলার সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে অবস্থানকারী সিদ্দিক মিয়াকে নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। এর এসব প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেখা পাওয়ার বাসনা।

সিদ্দিকের ভাষায়, টিহট (সম্মেলনে ঢুকার পাস, যাকে টিকিট ভেবেছেন তিনি) না থাকায় সম্মেলন স্থলে ঢুকতে পারেননি। কিন্তু মত মানুষের জন্য দলের কর্মসূচিতে যেতে কি আর টিকিট লাগে? সিদ্দিকের কথা গণমাধ্যমে প্রচারের পর তাই সব জায়গায় বিনা বাধায় যাওয়ার ‘টিহট’ পেয়ে গেছেন তিনি।

সিদ্দিক এখন তার ‘রিকসা নৌকা’ নিয়ে যেখানে খুশি সেখানেই যাচ্ছেন, না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, না স্বেচ্ছাসেবী, কেউ তাকে বাধা দিচ্ছে না। তিনিই ঘুরছেন ‘রাজার হালে’ই।

একজন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘আমরা তাকে চিনতে পেরেছি।  গতকাল প্রায় সব মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে খবর ছাপা হয়েছে। তাই আমরা তাঁর চলাচলে কোনো বাধা দিচ্ছি না।’

‘টিহট’ না থাকায় যে সিদ্দিক মিয়া আগের দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে পারেননি, তাকে আজ সকালে পাওয়া গেলো ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশনের সামনে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে ওই এলাকায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও যারা গেছেন, তারাও নির্দিষ্ট। এই তালিকায় ছিলেন না সিদ্দিক। কিন্তু তিনি অবলীলায় চলে গেছেন সেখানে।

এখানে এসে কেমন লাগছে?-জানতে চাইলে সিদ্দিক মিয়া বলেন, ‘অহন অনেক বালা লাগতাছে। আমারে বেক (সব) জায়গাত ডুকত দেয়।’

সিদ্দিক মিয়ার কথাতেই বোঝা গেলো, তাকে নিয়ে প্রচার হওয়া সংবাদের কারণে তার পরিচিতি এখন অনেক বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমারে দেইক্যা অনেকে কয়, চাচা আফনেরে নেয়া তো নিউজ অইছে। ফুলিশ অখন আর আমারে কিছু কয় না।’