সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নিকোটিন আসক্তদের নানান জটিলতা

৭:৫৮ অপরাহ্ন | রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৬ আপনার স্বাস্থ্য, লাইফস্টাইল

ধূমপান

রাবেয়া মাশফেরাত মেরী,লাইফস্টাইল কন্ট্রিবিউটর।

নিকোটিন নামক ড্রাগ দিয়ে যারা আসক্ত তাদের বলা হয় নিকোটিন ডিপেন্ডেন্স অথবা টোবাকো ডিপেন্ডেন্স। নিকোটিন দিয়ে যারা আসক্ত থাকে তারা নিকোটিনের উপর সব সময় নির্ভরশীল থাকে, নিকোটিন ছাড়া বেচে থাকা যেন এদের জন্য অসম্ভব প্রায়। যারা নিকোটিন খায় তারা সাময়িক সময়ের জন্য শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকে কারণ নিকোটিন ব্রেনে এমন প্রভাব ফেলে যে কিছুক্ষনের জন্য মস্তিষ্ক অন্যভাবে কাজ করে।

লক্ষণঃ ১)যারা একবার নিকোটিন ধরে তারা এটা ছাড়ার চেষ্টা করে ও ছাড়তে পারেনা।

২)কেউ যদি ছাড়ার চেষ্টা করে তাহলে শারীরিক এবং মানসিকভাবে তার কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যেমনঃ অনেক ক্ষুধা পায়, দুশিন্তাগ্রস্থ থাকে, মেজাজ খিটখিটে থাকে, কোন কিছুতে ঠিকমত মনোযোগ দিতে পারেনা। অল্পতেই রেগে যায়, রাতে ঠিকমত ঘুম হয়না, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়, ডায়রিয়া হয়।

৩)নিকোটিন খাওয়ার জন্য হার্ট,ফুসফুসে মারাত্তক সমস্যা দেখা দেয়া সত্তে ও ছাড়তে পারেনা খাওয়া।

৪)যেখানে নিকোটিন খেতে সমস্যা হয় সেসব জায়গায় যাওয়া ছেড়ে দেয়।

কেন আসক্তি বাড়েঃ  ধূমপানের সাথে সাথে কিছু অভ্যাসজনিত কারনে মানুষ চাইলে ও পরে আর এটি ছাড়তে পারেনা-

১)এলকোহল বেশি খাওয়া।

২)খাবারের পর ধূমপান করা।

৩)ফোনে কথা বলার সাথে সাথে খাওয়ার অভ্যাস।

৪)বন্ধু-বান্ধবের সাথে থাকাকালিন সবার মন রক্ষার্থে খাওয়া।

৫)দুশ্চিন্তার সময় খাওয়া।

৬)গাড়ি চালানোর সময়।

খাওয়ার অভ্যাস কি কি জটিলতা দেখা দেয় নিকোটিন খেলেঃ

১)ফুসফুসের ক্যান্সার।

২)ফুসফুসের যে কোন অসুখ।

৩)খাদ্যনালীর ক্যান্সার।

৪)ল্যারিংক্স ক্যান্সার।

৫)ফ্যারিনক্স ক্যান্সার।

৬)মাউথ ক্যান্সার।

৭)ব্লাডার ক্যান্সার।

৮)অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার।

৯)কিডনি ক্যান্সার।

১০)সার্ভিক্স ক্যান্সার।

১১)লিউকেমিয়া।

১২)হার্টের অসুখ।

১৩)টাইপ২ ডায়াবেটিস।

১৪)চোখের সমস্যা।

১৫)যেসব মেয়েরা ধূমপান করে তাদের গর্ভাবস্থা এবং তাদের বাচ্চার সমস্যা হতে পারে। বাচ্চা নষ্ট হয়ে যেতে পারে,আগে আগে বাচ্চা হয়ে যেতে পারে, লো বার্থ ওয়েট, এস আউ ডিএস।

১৬)ব্রঙ্কাইটিস।

১৭)খাবারের রুচি নষ্ট হয়ে যায়।

১৮)দাত এবং গামের অসুখ দেখা দেয়।

১৯)দাত,আঙ্গুল,নখ হলুদ হয়ে যায়।

চিকিতসাঃ

১)ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।

২)নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি।

৩)নন নিকোটিন মেডিকেশন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে।

৪)তাছাড়া মানসিকভাবে তাকে সাপোর্ট দিয়ে বুঝাতে হবে প্রতিনিয়ত।