• আজ বুধবার। গ্রীষ্মকাল, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১১:৪৩মিঃ

কাশ্মির ভূখণ্ড ভারতের হতে পারে কিন্তু কাশ্মিরের জনগণ ভারতের সঙ্গে নেই – মোদীকে খোলা চিঠি

১২:৪৭ পূর্বাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক – সরকারি বাহিনীর  নিপীড়নের ফলে ভারতীয় ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কাশ্মিরের জনগণের ক্ষোভের কথা আমি আপনাকে জানাতে চাই। ৮০ বছরের বৃদ্ধ থেকে ৬ বছরের শিশুর মধ্যে এ ক্ষোভ রয়েছে। কাশ্মির ভূখণ্ড ভারতের হতে পারে কিন্তু কাশ্মিরের জনগণ ভারতের সঙ্গে নেই ।  ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন ভারতীয় সাংবাদিক সন্তোষ ভট্টাচার্য যা  রাইজিং কাশ্মিরে প্রকাশিত । 

khola-chithi

রাইজিং কাশ্মিরে প্রকাশিত দীর্ঘ এ চিঠিতে সন্তোষ বলেছেন,  বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর শক্তিপ্রয়োগ, কাশ্মিরি জনগণের ক্ষোভ এবং কাশ্মির ইস্যুতে ভারতের অদক্ষতার কথা।

কাশ্মিরের মানুষের পাকিস্তান প্রীতি প্রসঙ্গে সন্তোষ লিখছেন,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেকে হয়ত আপনাকে বলেছে যে কাশ্মিরের মানুষ পাকিস্তানকে সমর্থন করে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আমি এমন কোনও মানুষ পাইনি, যিনি পাকিস্তানের প্রশংসা করেছেন।  কাশ্মিরের প্রতিটি মোবাইল টাওয়ার ও গাছে পাকিস্তানের পতাকা উড়তে দেখে আমি মানুষকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তারা এটা করছে? জবাবে তারা জানায়, পাকিস্তানকে ঘৃনা করে ভারত। ফলে ভারতকে রাগাতেই পাকিস্তানি পতাকা ওড়ানো হয়।

চিঠিতে কাশ্মিরের মানুষের মন জয় করার জন্য আহ্বান জানান সন্তোষ।

প্রসঙ্গত, ৮ জুলাই অনন্তনাগের কোকেরনাগ এলাকায় সেনা ও পুলিশের বিশেষ বাহিনীর যৌথ অভিযানে হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানিসহ তিন হিজবুল যোদ্ধা নিহত হন। বুরহান নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে কাশ্মির জুড়ে উত্তেজনা শুরু হয়। বিক্ষুব্ধ কাশ্মিরিদের দাবি, বুরহানকে ‘ভুয়া এনকাউন্টারে’ হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রথমে পুলওয়ামা ও শ্রীনগরের কিছু অঞ্চলে কারফিউ জারি করা হয়। পরবর্তীতে বিক্ষোভ আরও জোরালো হলে পুরো কাশ্মিরজুড়ে কারফিউ সম্প্রসারিত হয়। পরে চলতি মাসের ১৫ তারিখ পুরো উপত্যকা থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়।

চলমান সংঘর্ষে অন্তত ৮৫ জন কাশ্মিরি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মানুষ। এর মধ্যে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি কাশ্মিরি বিক্ষোভকারী।

সূত্র: ডন।