সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে ‘রহস্যময় রেডিও সংকেত ‘

৩:০৯ পূর্বাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক – ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে ‘রহস্যময় রেডিও সংকেত ‘ অনুসন্ধানের জন্য একটি দলকে দায়িত্ব দিয়েছে ভারত সরকার । 

redio-songket

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গত কয়েক মাস ধরে সন্দেহজনক সঙ্কেত ও ভাষা শুনতে পাচ্ছিলেন রেডিও ব্যবহারকারীরা। কেবল বাংলা নয়, সেই যোগাযোগে ব্যবহৃত হচ্ছে উর্দু ভাষাও। তবে ঠিক কোনখান থেকে এই যোগাযোগ সম্পন্ন হচ্ছে, সুনির্দিষ্ট করে তা শনাক্ত করতে পারেননি তারা। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, জঙ্গিরাই অস্বাভাবিক রকমের এ যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করছে। আর সে আশঙ্কার কারণেই সীমান্তে সার্বক্ষণিক হ্যাম রেডিও তথা অ্যামেচার রেডিও অপারেটর মোতায়েন করেছে ভারত। বেঙ্গল অ্যামেচার রেডিও ক্লাবের ২৩ সদস্যকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গত কয়েক মাস ধরে সন্দেহজনক সংকেত ও ভাষা শুনতে পেয়ে ডাকা হয়েছিল বেঙ্গল অ্যামেচার রেডিও ক্লাবের সদস্যদের। তারাও ওই রেডিও সংকেত শুনতে সক্ষম হন। এখন তারা সংকেতের উৎস অনুসন্ধানের চেষ্টা করবেন। কিন্তু কিভাবে? আসলে শনাক্তকরণের ওই প্রযুক্তি তাদের নিজেদের সঙ্গেই থাকে। ব্যবহারীরা প্রত্যেকেই এটা শনাক্তে সক্ষম হন।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের রহস্যভেদে অনুসন্ধানকারী দলটি রেডিও রিসিভারে থাকা সংকেতের শক্তিমাত্রা নির্ধারক অ্যাটিন্যাটর ব্যবহার করছেন। রেডিওর রিসিভারে০ সঙ্গে উচ্চ ক্ষমতার দিকনির্দেশক অ্যান্টেনা লাগিয়ে নিয়েছেন তারা। এইসব প্রযুক্তিতেই ওই রহস্যময় সংকেতের উৎস অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।
সাধারণভাবে হ্যাম রেডিও অপারেটরদের সংকেত অনুসন্ধানের এই প্রযুক্তি খুব বেশি শক্তিশালী হয় না। মাত্র কয়েকশো মিটার দূরত্বে সংকেত পাঠাতে ও গ্রহণ করতে সক্ষম হয় এইগুলো। তাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুসন্ধানকারীদের কাজ সহজ হচ্ছে না। আর এজন্য ওই অনুসন্ধানী দলটিকে নির্দিষ্ট স্থানে সর্বদা ঘুরে ঘুরে অনুসন্ধান চালাতে হচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া