সংবাদ শিরোনাম

পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতফেসবুকে নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেফতারফরিদপুরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুরকৃষক লীগের কমিটিতে মুফতি হান্নানের খালাতো ভাই, তদন্ত কমিটি গঠনখালেদার করোনা পরীক্ষার নমুনা দেওয়ার খবরটি ভুয়াপরকীয়া প্রেমিকের স্ত্রীর হাতে প্রহার, ‘ধামাচাপা দিতে’ স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা!লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ামাদারীপুরে ভুয়া মেজর ও মেরিন অফিসারসহ ৪ প্রতারক আটকহেফাজতকে প্রতিরোধে কার্যকর আইন আছে: আইনমন্ত্রীটিকা নেওয়ার দুই মাস পর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

  • আজ ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯

২:৩৭ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৫, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

news_picture_38108_pakistan1


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানে পুলিশ প্রশিক্ষণ কলেজে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ জনে। আহত হয়েছে আরো ১১৭ জন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই ক্যাডেট পুলিশ। খবর ডন এবং রয়টার্সের।

সোমবার রাতে কুয়েটার পুলিশ প্রশিক্ষণ কলেজে তিন সন্ত্রাসী ওই হামলা চালায়। গভীর রাতে হামলাকারীরা কলেজের হোস্টেলে ঢুকে পড়ে এবং সেখানকার বহু বাসিন্দাকে জিম্মি করে।

পরে সেনাবাহিনী কলেজটিতে অভিযান চালিয়ে কয়েকজন হামলাকারীকে গুলি করে হত্যা করে। কলেজটিতে সেসময় ৬শ’ ক্যাডেট পুলিশ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রাদেশিক কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হামলায় ৫৯ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংই ক্যাডেট। হামলায় আরো ৯৭ জন আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের ফ্রন্টিয়ার কর্পসের মহাপরিদর্শক মেজর জেনারেল শের আফগান এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও হামলায় অন্তত ২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ৬৫ জন আহত হয়েছেন।

তিনি আরো জানিয়েছেন, তিন আত্মঘাতী ওই হামলা চালিয়েছে। তাদের সবার শরীরে বিস্ফোরক বাধা ছিল।

দুই আত্মঘাতি নিজেদের সঙ্গে থাকা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটানোর পরেই ওই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে তৃতীয় আত্মঘাতী নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছে।

বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির শরফরাজ আহমেদ বাগতি হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার মধ্যরাতে হামলাকারীদের সঙ্গে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি বিনিময় হয়। কমপক্ষে তিন সন্ত্রাসী নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান শেষ হয়েছে।

সন্ত্রাসী হামলার পরপরই সেখানে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ (এসএসজি) কমান্ড। এসএসজির সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে ক্যাডেটদের উদ্ধার করেন।