• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৯:৫৭মিঃ

পুত্রবধূকে প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে শ্বশুরের মৃত্যু

৪:২৭ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৫, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: উপজেলার পাকুটিয়া গ্রামে পুত্রবধূকে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মোফাজ্জল হোসেন নামের ওই শ্বশুর মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লোকলজ্জা ও অপমানে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে ওই পুত্রবধূ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

গ্রামবাসিরা জানায়, উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের উত্তরপাকুটিয়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে গামেন্টর্স কর্মী লেবু মিঞা বছর তিনেক আগে পাশ্ববর্তী সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের বাশুরিয়া গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে চায়না বেগমকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে। ২বছর আগে তাদের ঘর আলোকিত করে তামিম নামের একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে। পুত্রবধূ চায়না বেগম সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা সুজাত আলী কলেজে লেখাপড়ার সময় ফুলদহরপাড়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে হান্নান মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ঘটে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক শারীরিক সর্ম্পকে রুপ নেয়। অভিাভকরা বিষয়টি টের পেয়ে চায়নাকে তড়িগড়ি করে লেবু মিয়ার সাথে বিয়ে দেয়।335ngbad

বিয়ের পরও এদের দৈহিক সম্পর্ক অব্যহৃত থাকে। সোমবার শ্বশুর মোফাজ্জল হোসেন চায়না বেগমের শোবার ঘরে প্রেমিক হান্নানকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলে। ডাক-চিৎকারে পাড়াপড়শিরা এগিয়ে এসে হান্নানকে আটক করে গণধোলাই দেয়। ঘটনার আকস্মিতায় মোফাজ্জল হোসেন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে সে মারা যান। অপরদিকে চায়না বেগম লোকলজ্জা ও অপমানে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে প্রথমে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে গুরুতর অবস্থায় টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। প্রেমিক হান্নানকে গ্রামবাসিরা মুচলেকা আদায় করে তার বাবা-মার হেফাজতে ছেড়ে দিয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।