সংবাদ শিরোনাম

শাহজাদপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ইউপি সদস্যসহ ৯ জুয়াড়ি আটকখালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ফরিদপুরে দোয়াওবায়দুল কাদেরকে কোম্পানীগঞ্জে ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা কাদের মির্জারকরোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এমপি ফারুক চৌধুরীর মাফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর হামলামামুনুল হকের কথিত শ্বশুরকে নোটিশ দেওয়ায় আ.লীগ নেতাদের হত্যার হুমকির অভিযোগ!ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চম দফায় ৪৫ আসনে ভোটগ্রহন চলছেচিরকুট লিখে হাসপাতালের ১১তলা থেকে লাফিয়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা!একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি : শাকিব খানবেনাপোল ও শার্শা সীমান্ত থেকে ৯ লাখ টাকার গাঁজাসহ ২ পাচারকারী আটক

  • আজ ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের আড়িয়াল খাঁ নদের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন

১:৪০ অপরাহ্ন | বুধবার, অক্টোবর ২৬, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুরের চরনাসিরপুর, ঢেউখালী ও আকোটেরচর ইউনিয়নে পদ্মা নদী ও আড়িয়াল খাঁ নদের পার এবং আশপাশের ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নিচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী। এতে নদী ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি ওই এলাকার দরিদ্র কৃষকরা তাদের ফসলি জমি হারাতে বসেছে। ২০ দিন ধরে শতাধিক শ্রমিক দিয়ে মাটি কাটা হলেও কেউ বালুখেকোদের বাঁধা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

f-pur

স্থানীয় কয়েকজন জানায়, ঢেউখালী ইউনিয়নের বাহাদুর খাঁ, আকোটেরচর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম খালাসী ও চরনাসিরপুর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর গাজি অবৈধভাবে মাটি কেটে নিচ্ছেন। তারা এলাকায় এত বেশি প্রভাবশালী যে তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। প্রকাশ্যে এমন অপরাধ হলেও রহস্যজনক কারণে নিশ্চুপ রয়েছে প্রশাসন।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানায়, দিন-রাত শতাধিক শ্রমিক দিয়ে নদীর পাড় ও এর পাশের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নৌযানে করে নদীপথে ঢাকার কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, দোহার, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার ফলে যেকোনো মুহূর্তে ভাঙন শুরু হয়ে পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এছাড়া ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষও তাদের জমি হারাচ্ছে। এসব জমিতে কলাই, মুগ, ধান ও অন্যান্য ফসল রয়েছে।

ভুক্তভোগী জমির মালিক মোঃ নুরু বেপারী, দুলাল বেপারী, রোকনুজ্জামান, পাঞ্চু খাঁ, হাতেম খাঁ, ইউসুফ বেপারী, খালেক খাঁ ও আজিম খাঁ বলেন, ‘আমাদের জমির ওপরের মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করেও রক্ষা করতে পারছি না। সকালে জমিতে ফসল থাকলেও দুপুরে এসে দেখি ফসল তো দূরের কথা জমিতে মাটিও নেই। জমি থেকে দুই ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি কাটা হচ্ছে। আমাদের জমির মাটি নাকি ওদের কাছে কারা বিক্রি করেছে। নদীতে জমি হারানোর পর এখন এই জমি থেকেও মাটি হারাতে হচ্ছে।’

এ সময় তাঁরা পদ্মা নদী ও আড়িয়াল খাঁ নদের পাড় থেকে অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধের আবেদন জানান। এ ব্যাপারে মাটি কাটার অভিযোগ স্বীকার করে বাহাদুর খাঁ বলেন, ‘আমি একাই মাটির টাকা খাই না। এখান থেকে মালেক খালাসী, তারা মোল্লা, কাসেম হাওলাদার, রোবন হাওলাদারসহ আরো অনেককে ভাগ দিতে হয়।’

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা রহমান সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। অবৈধভাবে নদীর পাড় থেকে মাটি কাটা বন্ধে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’