• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘শক্তিশালী গণতন্ত্রে সরকারপ্রধান একজন ও দলীয়প্রধান অন্যজন প্রয়োজন’

৪:৩৩ অপরাহ্ন | বুধবার, অক্টোবর ২৬, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারপ্রধান একজন এবং দলীয়প্রধান অন্যজনকে বানাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমদ।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লউঞ্জে ‘খ্যাতিমান সাংবাদকি গিয়াস কামাল চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবাষির্কী উপলক্ষে স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ আয়োজন করে বাংলাদেশ ডেমেক্রেটিক কাউন্সিল নামের একটি সংগঠন।

এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, উন্নত দেশে যে গণতন্ত্র আছে সেখানে সরকারপ্রধান একজন হয় আর দলীয়প্রধান অন্যজন হয়। বিশ্বের বড় বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই এই ব্যবস্থা বিদ্যমান। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এই ব্যবস্থা প্রয়োজন। দুই পদে একজন হলে কোনো পার্থক্য থাকে না, দলীয় নেতাকর্মীরাই সরকারের কর্মকর্তা হয়ে যায়।

emaj-uddin

জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য এই ব্যবস্থা প্রবর্তন প্রয়োজন উল্লেখ করে এমাজউদ্দীন বলেন, দুটি শীর্ষ পদে একই ব্যক্তি হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। ভবিষ্যতের জন্য সরকারপ্রধান একজন ও দলের প্রধান থাকবে অন্যজন- তবেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার একইরকম সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে ঢাকা মহানগরীর প্রবেশপথসহ প্রত্যেকটা জায়গায় অভ্যর্থনা করা হয়েছিল। সব মিলেয়ে এই সম্মেলন ছিল ব্যয়বহুল একটি উৎসব। ক্ষমতাশীন বলেই যখন যে জায়গার প্রয়োজন পেয়েছে কিন্তু অন্যদের পারমিশন নিতে হয়েছে। তাদের এ সম্মেলন অনেকদিন স্মৃতি হয়ে থাকবে। আর যারা এই রকম সম্মেলন করতে চায় তাদেরকেও যেন সুযোগ দেওয়া হয়।

নির্বাচনের কথা উল্লেখ বিএনপিপন্থী এ বুদ্ধিজীবী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- নির্বাচনে যেন কোনো ক্ষতি না হয়। আমরা এবারও যেন ক্ষমতায় যেতে পারি। আবার অন্য জায়গায় বলেছেন- নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়। দুই জায়গায় অমিল আছে। তবে তার দ্বিতীয় কথায় অভিনন্দন জানাই।

সুষ্ঠু একটি নির্বাচন দিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের সুনাম ফিরিয়ে আনতে হবে উল্লেখ করে এমাজউদ্দীন বলেন, আগামী নির্বাচনে যেন কোনোরকম কারচুপি না হয় সে দিকটা লক্ষ্য রাখতে হবে। নির্বাচন যেন গ্রহণযোগ্যতা পায় সকলের কাছে। তবেই আন্তর্জাতিক মহলে আমাদের সুনাম ফিরিয়ে আনতে পারব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ডেমেক্রেটিক কাউন্সিলের সভাপতি এম এ হালিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতউল্লাহ, জাতীয়তাবাদী বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ।