সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের মালিকানাধীন – ইউনেসকো

১:৩৯ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৬ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  –  ইউনেসকো বলছে, ইসরায়েলকে মাসজিদুল আকসার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে হবে।  ২০০০ সাল থেকে এই ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল। এর আগে মুসলমানদের প্রথম কিবলার এই স্থাপনা পরিচালিত হত জর্ডানের ওয়াকফ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে। ইউনেসকোর প্রস্তাবে সেখানে ফের জর্ডানের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে মুসলমানদের মালিকানাধীন স্থাপনার স্বীকৃতি দিয়ে জেরুজালেম বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে ইউনেসকো। প্রস্তাবটি নিয়ে ইসরায়েলের ব্যাপক সমালোচনার মুখেই বুধবার এটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়। প্যারিসে এ সংক্রান্ত

al-aksaভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১০টি দেশ। ভোটদানে বিরত থাকে আটটি দেশ এবং প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় দুটি দেশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

সংস্থাটি বলছে, আল আকসা মসজিদে উগ্র ইসরায়েলিদের হামলার দায়-দায়িত্ব ইসরায়েলি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বর্তায়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার ও তাদের আহত করার ঘটনা নিন্দনীয়।

বায়তুল মুকাদ্দাসের আশপাশে ইসরায়েলের ১৮টি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের কাজ যথাশিঘ্র সম্ভব বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ইউনেসকো।

ইউনেসকোর মহাসচিব ইরিনা বোকোভা বলেছেন, জেরুজালেম তথা বায়তুল মুকাদ্দাস তিন একত্ববাদী ধর্ম তথা ইহুদি, খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের কাছে পবিত্র শহর। আর এখানকার অসাধারণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে মর্যাদা দিতেই ইউনেসকো এই শহরটিকে বিশ্ব-ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করেছে। বায়তুল মুকাদ্দাসের ঐতিহ্যকে বিচ্ছিন্ন বা ভাগ করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ইউনেসকোর দায়িত্ব হচ্ছে সহিষ্ণুতা ও ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধার প্রসার ঘটানো। আর এই দায়িত্ববোধ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমরা অভিন্ন মানবজাতির অংশ এবং বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে সহিষ্ণুতা।