• আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র হুমকি

১১:০৫ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৬ খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ক্রিকেটারদের পদচারণায় আবার সরব হয়ে উঠেছে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম। আগামীকাল শুক্রবার এখানেই অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচের আগেই হুমকি হয়ে এলো বৃষ্টি! ঘুর্ণিঝড় কেয়ান্টের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ কাঁদছে। কিন্তু স্বস্তির কথা, এই ঝড়ের বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। সেটি সরেও গেছে। আর বিশেষ শক্তিশালীও নয় ঝড়টি। সব মিলিয়ে এর প্রভাব ঢাকার টেস্টে পড়ার কথা না।

103255mirpur-stadium_pictureআরো বড় বিষয় হলো যে বৃষ্টি হচ্ছে তা মৌসুমী না। এখন বাংলাদেশে বৃষ্টির মৌসুমও না। সুতরাং বৃষ্টির স্থায়ীত্বের দুর্ভাবনা নেই। কিন্তু গত বছর বাংলাদেশের তিনটি টেস্টে বৃষ্টির কবলে পড়ায় একটা আতঙ্ক আছে। কথায় আছে ‘ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়’। এরকমই ব্যাপারটা।

চট্টগ্রাম টেস্টের পর অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আভাস দিয়েছিলেন মিরপুরে স্পিনিং উইকেট চান তিনি। সরাসরি না বললেও বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া সহ-অধিনায়ক তামিমের কথাতেও ছিল একই ইঙ্গিত।

“উইকেট নিয়ে নিশ্চয়ই পরিকল্পনা হচ্ছে। আমরা সবাই আলোচনা করবো। আমার মনে হয়, আমাদের জন্য ভালো, আমাদের দলের সঙ্গে বেশি মানানসই তেমন ধরনেরই উইকেট হবে।”

“একটা জিনিস খুব মজা লাগে, যখন পৃথিবীর এই অংশে খেলা হয় তখনই উইকেট নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। আমরা তো কোনো সময় ইংল্যান্ডে গিয়ে স্পিনিং উইকেট আশা করি না। জানি, ওখানে সিমিং কন্ডিশন। আমাদের অংশে এলেই.. বাংলাদেশ বা ভারতে খেলা হলেই উইকেট নিয়ে বেশি আলোচনা হয়ে যায়। আমার মনে হয়, হোম অ্যাডভান্টেজ একটা থাকা উচিত।”

তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা তামিম মনে করেন, শুধু পছন্দের উইকেট পেলেই হবে না, ফল পেতে হলে উইকেট থেকে সর্বোচ্চটা আদায় করে নেওয়ার মতো ক্রিকেট খেলতে হবে।

এমনিতেই বাংলাদেশ অনিয়মিত টেস্ট খেলে। এবার খেলছে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বিরতির পর। প্রায় ১৫ মাস খেলা হয় না এই দীর্ঘ পরিসরের মর্যাদার ক্রিকেট। ২০০০ থেকে মাত্র ৯৪ টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বেশ কিছু বৃষ্টির কবলে পড়েছে। গত বছর ভারতের বিপক্ষে একমাত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টেস্টই বৃষ্টিতে ড্র হয়েছে। তাতে খুব আক্ষেপে পুড়তে হয়েছিল বাংলাদেশে ক্রিকেটারদের। আফসোস ছিল প্রতিপক্ষেরও। তবে তখন ছিল জুন-জুলাই মাস। এখন অক্টোবরের শেষ। এই হঠাৎ বৃষ্টিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্টে প্রভাব পড়বে না বলেই ধরে নেওয়া যায়।