• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৯:৫৫মিঃ

‘সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইলে আলোচনার মধ্য দিয়েই সঠিক পথ বের করতে হবে’

৭:০৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে যদি জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করতে হয় তাহলে অবশ্যই আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটি সঠিক পথ বের করতে হবে। যে পথের মধ্য দিয়ে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই একটি নির্বাচন করা সম্ভব হবে।

ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে আলোচনার কোনও বিকল্প নেই। তাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেই একটি সঠিক পথ বের করতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্র্ষিকী উপলক্ষে এর আয়োজন করা হয়।

এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমেই একটি সমঝোতামূলক পথ বের না করলে নির্বাচন কখনও অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। বাংলাদেশে যদি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয় তাহলে অবশ্যই আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটি সঠিক পথ বের করতে হবে। যে পথের মধ্য দিয়ে সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।’

fokhrul-zia-majar

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা আলমগীর বলেন, ‘শেষ মূহূর্তে তারা (আওয়ামী লীগ) আবার আলোচনার ডাকও দেন। আমরা দেখেছি ২০১৪ সালের আগেও তারা বলেছে বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হবে না। কিন্তু পরর্তীতে তারাই আলোচনার জন্য বিএনপিকে ডেকেছেন। আসলে আওয়ামী লীগ যদি সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তাহলে সকল রাজনৈতিক দলগুলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। আলোচনার কোনও বিকল্প নেই।’

ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যায় ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার এম এ কাইয়ুমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের যে দোদুল্যমানতা আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর মধ্যে স্ববিরোধিতাই এর বড় প্রমাণ। বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই। এখানে আমরা (বিএনপি) বরাবরই যে কথাটি বলে এসেছি এই সরকার নিজেরাই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। সেই সন্ত্রাসের মধ্যে দিয়ে বিরোধীদলকে দমন করতে চায়।’

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যালবার্ট পি কস্তা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হক, যুবনেতা রফিকুল আলম মজনু ও এস এম জাহাঙ্গীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।