লিপু হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

৫:৫৬ অপরাহ্ন | শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৬ শিক্ষাঙ্গন

মোঃ আশিক, জবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবির) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোতালেভ হোসেন লিপুকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে দেশের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

lipu-hotta

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবির) টি এস সির রাজু ভাস্কর্যের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে লিপুর প্রতি শোক জানিয়ে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বিচারের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

উক্ত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটিসহ দেশের ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান খান বলেন, আজ লিপু হত্যার দশদিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি প্রশাসন। প্রশাসনিক এমন উদাসীনতায় লিপু হত্যার কোন তদন্তের কোন অগ্রগতি হয়নি। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে হল থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করার মত নেককার ঘটনা আর কি হতে পারে। দ্রুত বিচার করার দাবিও জানান প্রশাসনের নিকট।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল সুমন বলেন, লিপু আমার ভাই লিপু হত্যার বিচার চাই। আজ লিপু কাল আমি। একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন মৃত্যু কখনোই কাম্য হতে পারে না।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মঈনুদ্দিন বলেন, একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হত্যা করে জাতিকে মেধা শূণ্য করার চক্রান্ত চলছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রিংটু বলেন, রাবির প্রশাসন ব্যর্থ। একের পর এক হত্যাকান্ড ঘটছে কিন্তু কোন বিচার হচ্ছে না। কয়েকমাস আগে (রাবি) আক্তার জাহান শিক্ষককে আত্মহত্যার প্ররোনা করা ও শিক্ষক রেজাউল করিম কে কুপিয়ে হত্যা করার প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে। দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

উলেখ্য, গত ২০শে অক্টোবর রাতে আব্দুল লতিফ হলের ২৫৪ নং রুম থেকে মোতালেভ হোসেন লিপু কে ধরে নিয়ে হত্যা করে লাশ হলের ড্রেনে ফেলে রাখা হয়। পরে লিপুর বাবা মতিহার থানায় মামলা করলেও দশ দিনে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি প্রশাসন। তবে লিপুর রুমমেট মনিরুজ্জানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।