• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৮:০৯মিঃ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

৬:১৫ অপরাহ্ন | শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৬ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – শিক্ষার প্রসারে দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, একটু সহযোগিতা পেলে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্ষম হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর মিরপুরের ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

এই সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, সবাইকে আজীবন ছাত্র থাকার প্রতিজ্ঞা করা উচিত। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তার পাস করলেই পড়ালেখা শেষ হয় না। জ্ঞান আহরণের জন্য আজীবন ছাত্র হিসেবে ব্রত থাকতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার বয়স ৮৩ বছর। আমি এখনো শিখছি। আবার সেগুলো প্রয়োগও করছি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরাই ভবিষ্যতে আমাদের চেয়ারে বসবে, এরকম উচ্চ আশা করতে হবে। কারণ আশা অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটি ছাড়া যাবে না।

abul-mal-muhit

তিনি বলেন, উচ্চ আশার একমাত্র উপায় হলো জ্ঞান আহরণ। লেখাপড়ার প্রতি আকর্ষণ যেন কোনো দিন শেষ না হয়।

জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে ভিডিও অত্যন্ত চুম্বকভাবে কাজ করে জানিয়ে মুহিত বলেন, সেখানে অনেক ভুলও থাকে। গুগলে এজন্য লেখা থাকে ভুল হলে আমাকে শুদ্ধ করুন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ দিয়ে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দিতে অভিবাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকার শিক্ষাকে দারিদ্র মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। এজন্য শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকগুলোর বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে সমাজ ও জাতির বহুমুখী উন্নয়ন হচ্ছে। ডাচ বাংলার বৃত্তি অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

কানাডার রাষ্ট্রদূত বেনওয়ার পিয়ের লাঘামে বলেন, শিক্ষা সব শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের এ উদ্যোগকে আমি অভিনন্দন জানাই।

অনুষ্ঠানে বৃত্তি পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করেন বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী ডালিয়া আক্তার, শারমীন আক্তার, নটরডেম কলেজের রাহাত রানা ও পঞ্চগড়ের কমলাপুর হাইস্কুলের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম।

২০১৬ সালের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করায় তিন হাজার ৩৭ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিচ্ছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এসব শিক্ষার্থীকে দুই বছর প্রতিমাসে দুই হাজার টাকা ও বছরে পাঠ্য উপকরণের জন্য দুই হাজার ৫শ ও পোশাকের জন্য এক হাজার টাকা প্রদান করবে।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন। সমাপণী বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ।

ব্যাংকের ১০২ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৬শ ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বৃত্তি গ্রহণ করছে ১৭ হাজার ৯শ ৬৩ জন শিক্ষার্থী