পাবনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ‘ইলিশ’ বাণিজ্যের অভিযোগ


ty_205258


পাবনা প্রতিনিধি:

আর্থিক সুবিধা নিয়ে পাবনার বেড়ায় যমুনা নদীতে চুক্তিবদ্ধ জেলেদের ইলিশ মাছ ধরার সুবিধা করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বেড়া ও আমিনপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। যেসব জেলে চুক্তি করেনি তাদের মাছ ধরতে বাধা দেয়া হচ্ছে না। স্

থানীয়রা অভিযোগে জানান, ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা জারির দিন থেকেই পুলিশ অর্ধেক অংশের ভাগাভাগিতে কিছু জেলের সাথে মৌখিক চুক্তি করে তাদের মাছ ধরতে দেয়। আমিনপুর থানা পুলিশের মনোনিত এ রকম ১০টি জেলে নৌকা রয়েছে। জানা গেছে, এসব নৌকার জেলেরা রাতে নদীতে মাছ ধরে আর পুলিশ ঘাটে বসে পাহারা দেয় মাছের ভাগ নেয়ার জন্য। প্রতিদিন ভোররাতে ৪-৫ জন কনস্টেবল বস্তায় ভর্তি মাছ বুঝে নিয়ে সাড়ে তিনশ’ থেকে চারশ’ টাকা দরে বিক্রি করে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও আমিনপুর থানা পুলিশের কৌশলের কারণে অসাধু এক শ্রেণির জেলেরা পার পেয়ে যাচ্ছে। আব্দুর রাজ্জাক নামের এক জেলে জানান, ‘তিনি দুই দিন মাছ ধরলেও পুলিশের সাথে চুক্তি না হওয়ায় তাকে আর আমিনপুর থানার ওসি মাছ ধরতে দিচ্ছেন না।’ রাজধরদিয়া গ্রামের জেলে আবু সাঈদ জানান, ‘ওসি তাজুল হুদা তার মনোনীত জেলেদের দিয়ে মাছ ধরাচ্ছেন।

থানার সাথে চুক্তি না করলে জেলেদের জাল পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।’ ওসমান নামের আরেক জেলে বলেন, ‘সারারাত কষ্ট করে এক দেড় মণ মাছ ধরি, অথচ অর্ধেক মাছই পুলিশকে দিতে হয়।’এ ব্যাপারে আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমএম তাজুল হুদার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ইলিশ বানিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এ ধরণের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

◷ ১:১০ পূর্বাহ্ন ৷ রবিবার, অক্টোবর ৩০, ২০১৬ দেশের খবর, রাজশাহী