• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির সাতটি উপধারা বাতিলের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন

৩:৩৬ অপরাহ্ন | সোমবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ ঢাকা, দেশের খবর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: প্রস্তাবিত ‘শিক্ষা আইন ২০১৬’ এর সাতটি উপধারা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি ফরিদপুর জেলা শাখা।

sarok

দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মুজিব সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সমিতির ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ মুস্তাফিজ ও বিপ্লব সেন, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনসহ সাধারণ সদস্যরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।

স্মারকলিপিতে প্রস্তাবিত খসড়া আইনের ২(৩১) উপধারা, প্রথম অধ্যায়ের ৭(৬) ধারা, তৃতীয় অধ্যায়ের-২১(৫) ধারা, ৭(১১) ধারা, ৭(১২) ধারা, ৭(৯) ধারা ও ২১(৬) ধারায় সংশোধন ও বাতিলের দাবি জানানো হয়। আইনের খসড়ার ২(৩১) উপধারায় প্রদত্ত ‘নোট বই ও গাইড বই’ এর সংজ্ঞাটি আইনে অপ্রাসঙ্গিক। এতে আরো বলা হয় দেশের ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী সহায়ক গ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল। সহায়ক গ্রন্থ প্রকাশ বন্ধ করা হলে এ প্রকাশনা শিল্পের সাথে জড়িত মুদ্রণ, কাগজ, বাঁধাই শিল্প, কালি শিল্পসহ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশকেরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয় প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন জাতীয় গ্রন্থনীতির পরিপন্থী। প্রস্তাবিত এ শিক্ষানীতি কার্যকর হলে প্রকাশনা শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ২৫ লক্ষাধিক মানুষ বেকারত্বের ঝুঁকিতে পড়বে। শিক্ষা বিষয়ক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে না থাকলে বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে। সৃজনশীল ও গবেষণামূলক বইয়ের বিপণনও ব্যাপকভাবে বাঁধাগ্রস্ত হবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে একুশে গ্রন্থমেলাসহ সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। এ জন্য খসড়া শিক্ষা আইনের নোট ও গাইড বইয়ের সংজ্ঞা ও বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ধারা ও উপধারাগুলো বাতিল করতে হবে।

পুস্তক বিক্রেতা সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, কর্মসূচির প্রথম দিনে দাবি আদায়ের লক্ষে তারা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেছেন। পরবর্তীতে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ধর্মঘটে নামবেন।