• আজ মঙ্গলবার। গ্রীষ্মকাল, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৭:৪০মিঃ

ফুলবাড়ীতে মুষলধারে বৃষ্টি : তীব্র ঠান্ডায় জনদুর্ভোগে বৃদ্ধ ও শিশুরা

৪:৪০ অপরাহ্ন | সোমবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ দেশের খবর, রংপুর

অনীল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এমনিতে তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডায় মাঝে আজ সোমবার দুপুরে তিন ঘন্টা ধরে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় জনদুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষজন।

fulbari

বিশেষ করে চর-দ্বীপচর ও নদী তীরবর্তী এলাকায় শীত বেশী অনুভুত হওয়ায় শীতকষ্টে দিনাতিপাত করছে নদ-নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষেরা। পৌষ মাসের তিব্র শীত মৌসুমে হঠাৎ করে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় আরও বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

কোন সূর্যের দেখা মিলেনি একেবারে। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা কাজে বের হতে পারছেন না। সবচেয়ে বেশি শীত কষ্টে ভুগছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। খড় কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন অনেকেই।

সন্ধার আগেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জনপদ। রাত বাড়ার সাথে সাথেই ঠান্ডার তীব্রতা বাড়তে থাকে। দিনের বেলায় অনেকটা বেলা জুড়ে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। নিম্নবিত্ত মানুষ গরম পোশাকের অভাবে শীত নিবারণ করতে না পারলেও সামর্থবানরা বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন গরম কাপড় ও ওয়াটার হিটার কেনার জন্য। এদিকে গত তিন দিন ধরে ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারনে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে টিপটাপ করে এখনো বৃষ্টি পাত হচ্ছে।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়রেন ঠেলা চালক বাবলু বর্মন জানান, কয়দিন থাকি খুব শীত পড়ছে। দুপুর পর্যন্ত ঘর থাকি বাইর হবার পাই না। গরম কাপড়ও নাই। ঠান্ডাতে বেলা করি বাড়ি থাকি বেড় হওয়া লাগে, আয় রোজকার একেবারে নাই, হঠাৎ করে বৃষ্টি হওয়ায় ঘর থেকে বের হতে পারচ্ছিনা।

কৃষক হাসেম আলী, মনছার আলী, ধীরেন্দ্র নাথ বর্মন জানান, তীব্র শীত মৌসুমে মুর্ষূলধারে বৃষ্টি পাত হলে শত শত বিঘার আলু, সরিষা ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাবে। বৃষ্টিতে অনেক কৃষক তাদের আলু, সরিষাসহ বিভিন্ন আবাদ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে।