সংবাদ শিরোনাম

‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যাগোবিন্দগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দূঘর্টনায় স্কুল শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন নিহতময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা গেলো ৩ শিশুমুহুর্তেই ভয়াবহ আগুন! স্কুলেই পুড়ে মরলো ২০ শিশু শিক্ষার্থী!সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু আর নেইসব রেকর্ড ভেঙে চুরমার, একদিনেই ৯৬ জনের মৃত্যু

  • আজ ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও চালু হচ্ছে না ঈশ্বরদী বিমান বন্দর: নেপথ্যে লোকসান অজুহাত

৯:২০ অপরাহ্ন | সোমবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬ রাজশাহী

আব্দুল লতিফ রঞ্জ্‌, পাবনা প্রতিনিধি:  এই অঞ্চলের বিনিয়োগকারি, ব্যবসায়ী ও সাধারন যাত্রীদের কাছে গুরুত্বপুর্ণ ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি পুনরায় চালুর দাবি উঠেছে সর্বমহলে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে পাবনা-৪ এর এমপি ও ভূমিমন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসনকে কয়েক দফা জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশেও বিমানবন্দরটি চালুর দাবি জানানো হয়েছে। এরপরও ঈশ্বরদী-ঢাকা-ঈশ্বরদী রুটে ফ্লাইট চালু হচ্ছে না।

নির্মানের পর ১৯৬৫ সালে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা শুরু করে। সেই সময় প্রতিদিন সকালে ও বিকালে দুটি করে ফ্লাইট চলতো। যাত্রীর সংখ্যাও ছিল ভাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই বিমান বন্দরটি ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং স্বাধীনতার পর মেরামত করে ’৭২ সালে আবার বিমান চলাচল শুরু হয়। তখন পাবনা, কুষ্টিয়া, নাটোর ও রাজশাহীর অনেক যাত্রী ঈশ্বরদী হয়ে বিমানে ঢাকা যাতায়াত করতেন। অনেকদিন বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চলার পর লোকসানের অজুহাতে ১৯৮৭ সালে এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়।

যাত্রীদের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালের ১৭ই জুলাই থেকে আবারও বিমান চলাচল শুরু হলেও তিন বছর পর লোকসানের অজুহাতে ১৯৯৬ সালের ৩রা নভেম্বর পুনরায় বিমান চলাচল বন্ধ করা হয়। এরপর মানুষের দাবির মুখে ১৯৯৮ সালের ১০ মে বেসরকারি এয়ারলাইন্স এয়ার পারাবতের ফ্লাইট চালু করা হয়। মাত্র ৩৮ দিন চলার পর ২৮শে জুন এই সার্ভিস বন্ধ করা হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালের ১৮ই নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আবার ফ্লাইট উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু ৬ মাস ১১ দিন পর আবার বন্ধ হয় বিমানবন্দরটি।
issordi-air-port

ঈশ্বরদীতে রয়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রতিষ্ঠান। যেমন রূপপুর পারমানবিক প্রকল্প, বাংলাদেশ সুগারক্রপ ইন্সটিটিউট, ঈশ্বরদী ইপিজেড, ডাল গবেষণা কেন্দ্র, রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় অফিস, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, পাবনা চিনিকল, আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিল, পাকশী নর্থবেঙ্গল পেপার মিল (বর্তমানে বন্ধ), বেনারসী পল্লীসহ চার শতাধিক চাউল কল, অটো রাইচ মিল, অয়েল মিল প্রভৃতি। বর্তমানে রূপপুর প্রকল্প ও ইপিজেড ঘিরে অনেক বিদেশী এখানে বসবাস করছেন। জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা যাতায়াত করতে হলে সেই সুযোগ তাঁরা পাচ্ছেন না।

ঈশ্বরদী বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক আব্দুর রশিদ আকন্দ জানান, এই বিমান বন্দরটি ৪৩৫ একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৭শ’ ফুট ও প্রস্থ ৭৫ ফুট। বর্তমানে দেশে যে ধরনের ফ্লাইট রয়েছে, সেগুলো ঈশ্বরদী বিমান বন্দরে অবতরণের জন্য রানওয়ের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাব বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।