সংবাদ শিরোনাম

৬ বছরের ছেলে সাহেলের প্রথম রোজা, আপ্লুত মাশরাফিকোরআন তেলাওয়াত, ইবাদতে প্রথম রোজা কেটেছে খালেদারভাঙ্গায় রাতের আঁধারে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট : আহত-১৫বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তরুণীর সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পারাপার, ভোগান্তিতে তিনটি গ্রামের ছয় হাজার মানুষ

৩:১৭ পূর্বাহ্ন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ দেশের খবর, বরিশাল

h


জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি॥

ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন খেয়া পারাপার হচ্ছে কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ছয় হাজার মানুষ। জোয়ার ভাটায় খেয়াঘাটের রাস্তায় পলিমাটি ও শ্যাওলা জমে পিচ্ছিল হওয়ায় প্রায়শই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। আর বর্ষা মৌসুমে চলাচলের বাড়ে চরম ভোগান্তি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের আনিপাড়া, কাঠালপাড়া, গান্ধাপাড়া সহ পার্শ্ববর্তী তালতলী উপজেলার চাউলাপাড়া গ্রামের শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ খেয়াঘাটটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার করছে। খেয়াঘাট অভ্যন্তরীন যে আর সিসি ঢালাই রাস্তাটি রয়েছে সে রাস্তাটি নিচু হওয়ায় ভাটার সময় পলিমাটিতে আঁশি ভাগ ঢেকে থাকে। ফলে পাকা রাস্তা থাকা স্বত্তেও একশ ফিট  কাঁদাপানি ভেঁঙেই সাধারন মানুষের চলতে হয়। আর এই রাস্তায় পলিমাটি পরে শ্যাওলা জমে পিচ্ছিল হওয়ায় চলাচল করতে গিয়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারন মানুষ। বর্তমানে ওই খেয়ার মাঝি রহমান মুন্সি পা পিচলে আঙ্গুল ভেঙে অসুস্থ অবস্থায় আছেন। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে খেয়াঘাটের এ রাস্তাটি উঁচু করে মেরামত কিংবা নতুনভাবে করা হলে এলাকাবাসির দুর্ভোগ কমবে বলে  আশা করেছেন অনেকেই।

আনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মফিজ মৃধা বলেন, শেষ ভাটার সময় খেয়া যেখানে ভেড়ে সেখান থেকে একশ ফিট পর্যন্ত কাদাপানি ভেঙে উপড়ে উঠতে হয়। রাস্তার উপর দিয়ে চলতে গেলে পা পিচলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই।

২০১৫ সালের জুলাই মাসের ৬ তারিখে আনোয়ার হাওলাদার নামের এক বৃদ্ধ নাতীর বাড়িয়ে বেড়াতে যাওয়ার সময় পা পিচলে পড়ে গিয়ে বাম পা ভেঙে গেলে বরিশাল শেবাচিমে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর মারা যান।

তারই বরাত দিয়ে বৃদ্ধর নাতী রাজা মিয়া বলেন, প্রতিদিন এহানে কেউ না কেউ পাছার খায়। আমার নানায়ও এহানে পাছার খাইয়া মরছে। হ্যার মতন আর যেন কেউ না মরে হেইয়ার ব্যবস্থা করা উচিৎ । একই এলকার বাসিন্দা মাসুদ উদ্দিন বলেন, খুব শীগ্রই এই ঘাটের রাস্তাটি নতুন করে মেরামত করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব তালুকদার বলেন, আনিপাড়া খেয়াঘাটে মাঝে মধ্যে যে দুর্ঘটনা ঘটছে সে ব্যাপারে কেউ অবহিত করেনি। তবে খুব শীগ্রই ওখানে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মানসহ রাস্তা উচু করে পাকা করে দেয়া হবে।