• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সন্ধ্যা ৬:৫৭মিঃ

রামেক হাসপাতালের ইর্ন্টান চিকিৎসকদের মানববন্ধন

৪:৩৩ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ দেশের খবর, রাজশাহী

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্নি চিকিৎসকের মারপিটের ঘটনার জের ধরে ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইর্ন্টান চিকিৎসকদের। গত সোমবার রাত থেকেই ধর্মঘট অব্যাহত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী এবং তাদের স্বজনরা। এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও রামকের ৫২ তম এমবিবিএসর শিক্ষার্থী আবু নয়ন পরাগের (২৩) ওপর হামলার ঘটনার মামলা করা হয়। এতে দুইজনের নাম উল্লেখ করে আরো ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়।

itani

এ ঘটনায় সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার ভোরে নগরীর অলোকার মোড় এলাকার হাবিবুরের ছেলে জিমিকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ গ্রেফতারের বিয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজপাড়া থানার ওসি আমান উল্লাহ এবিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে তারা সকালে হাসপাতালের পরিচালক এএফএম রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠকও করেন। ওই বৈঠকের পরেই মানববন্ধনে অংশ নেন ইন্টার্ন চিকিৎসক।

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন প্রসূতির স্বজন শাহীন ও দুলাভাই মিনারুল ইসলাম মিনির সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসক আবু নয়ন পরাগের মারপিটের ঘটনাটি ঘটে। এতে ইন্টার্নি চিকিৎসক পরাগের ডান হাত ভেঙে যায় এবং ডান চোখেও জখমের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘট ডেকেছেন ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদ। রাত সাড়ে ১০টার পর থেকে তারা এ ধর্মঘট শুরু করেন। হঠাৎ করে শুরু হওয়া এ ধর্মঘটের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শত শত রোগী চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, রামেক ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলতে থাকবে। কোনো ইন্টার্নি চিকিৎসক কাজে যোগ দিবেন না। এদিকে হঠাৎ শুরু হওয়া ধর্মঘটের কারণে ব্যাপক ভোন্তিতে পড়েন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রোগীরা। রাতের বেলা ইন্টার্নি চিকিৎসক নির্ভর হাসপাতালটিতে ইন্টানির্রাই ধর্মঘট শুরু করার কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়ে হাসপাতালটির। এ অবস্থায় গুরুতর রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্বজনরা। অনেকেই চিকিৎসকের অভাবে রোগীকে নিয়ে বাইরে চলে যাচ্ছেন।