• আজ শুক্রবার। গ্রীষ্মকাল, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১২:০৬মিঃ

জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট শুরু

⏱ | বুধবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৬ 📁 Breaking News, ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর- প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থাপিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টা থেকে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশন ৬১ জেলা পরিষদের তফসিল ঘোষণা করলেও ভোলা ও ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ওই দুই জেলায় ভোট গ্রহণ হবে না।

untitled-7_258869এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় আরও ১৯ জন চেয়ারম্যান, ১৬৬ জন সাধারণ সদস্য ও ৬৯ জন সংরক্ষিত সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে আজ ৩৯ জেলার চেয়ারম্যান এবং ৫৯ জেলায় সদস্য পদে ভোট হবে। ৬১ জেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৪৬ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২ হাজার ৯৮৬ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮০৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।

৬১ জেলায় মোট ভোটার ৬৩ হাজার ১৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৮ হাজার ৩৪৩ জন এবং নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮০০ জন। ভোট কেন্দ্র ৯১৫টি ও ভোটকক্ষ ১ হাজার ৮৩০টি। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

নির্বাচনে গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে ভোট কেন্দ্রে মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকারভুক্ত প্রতিষ্ঠান সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এ নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এ নির্বাচনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত এবং একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। বেশির ভাগ প্রার্থী রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কাও রয়েছে।

বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত অংশ নেয়নি। তবে এ তিন দলের ভোটাররাই জয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জেলা পরিষদে অনির্বাচিত প্রশাসকদের শাসন ক্ষমতার অবসান হতে যাচ্ছে। জেলা পরিষদের নেতৃত্ব যাচ্ছে নির্বাচিত ব্যক্তিদের হাতে। ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকার ৬১ জেলায় আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়।

নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি নিয়ে বিভিন্ন জেলা পরিষদের প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ অভিযোগ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ জানিয়েছেন, ভোট সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। টাকা লেনদেনের অভিযোগের প্রমাণ পেলে কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

ভোটের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ২৩ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ১৮২ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করছেন। আটটি সংস্থার ৩ হাজার ২২৫ জন এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে।