সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দেশে-বিদেশে রফতানি হচ্ছে ভোলার শুটকি মাছ

৩:২২ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬ দেশের খবর, বরিশাল

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সাগর উপকূলের মৎস্য আহরণ কেন্দ্র ঢালচর। এই চরে ১৫ হাজার বসবাসকারী মানুষের প্রধান পেশাই মাছ ধরা। নদী ও সাগরে মাছ ধরে যুগের পর যুগ পার করছেন এ চরের মানুষ। ইলিশ মাছ আহরণ করার পাশাপাশি ৬ মাস শুটকি ব্যবসা করে থাকেন অনেকেই। এ পেশার সঙ্গে জড়িত সবাই এখন সাবলম্বী।

sutki-mas

সরেজমিনে দেখা গেছে, সাগর উপকূলের ঢালচরের বিভিন্ন পয়েন্টে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শুটকি পল্লী। সেখানে খোলা আকাশের নিচে ছোট ছোট মাছ রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে। শুটকি প্রস্তুত করতে পুরুষদের সহযোগিতা করছেন নারীরাও। এখানে ২ শতাধিক জেলে শুটকি ব্যবসা করে আসছেন। শ্রমিকদের কাজ হলো শুটকি পল্লীতে মাছ বাছাই করা, ট্রলার থেকে নামানো ও রোদে শুকানো।

শুটকি ব্যবসায়ীরা জানান, আশ্বিন থেকে চৈত্র এ ৬ মাস মূলত শুটকির মৌসুম। বেকার অনেক জেলে সাগর থেকে ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে এনে রোদ্রে শুকিয়ে বিক্রি করে। সেখান থেকে আবার পাইকাররা বিভিন্ন জেলায় চড়া মূল্যে রপ্তানি করেন। এখানকার ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতকৃত শুটকি ভোলা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও ময়মনসিংহে রপ্তানি হয়। হরেক রকমের মাছ শুকিয়ে বিভিন্ন দামে বিক্রি করা হয় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যবসায়ীদের কাছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢালচর দ্বীপে আসেন শতাধিক ব্যাপারী। তারা তাদের কাছ থেকে শুটকি ক্রয় করে তা দেশের বিভিন্ন মোকামে বিক্রি করেন।

প্রতিমণ ওলুপা শুঁটকি দুই হাজার থেকে ২৫০০ টাকা, সেওলা ১৪০০ থেকে দুই হাজার টাকা, রাবিশ ১২০০ থেকে দুই হাজার টাকা ও চিংড়ি গুঁড়া ২৫০০ থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়াও চরে খাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকার শুঁটকি শুকানো হয়। শুটকি মাছের মান ভেদে তারা ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডে বাছাই করা হয়। ‘এ’ গ্রেডের (ভাল মানের) শুটকি মাছ মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, বাহারাইন, দুবাই, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ প্রায় ২০টি দেশে রফতানি করা হচ্ছে। সাধারণত এসব দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে রয়েছে মিঠা পানির শুটকি মাছের বেশি কদর।

ভোলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ‘ঢালচরের শুঁটকি বিভিন্ন জায়গায় রফতানি হচ্ছে। সেখানে গত কয়েক বছর থেকে শুটকি ব্যবসা করে অনেকে সাবলম্বী হয়েছেন বলে শুনেছি। ‘সরকারিভাবে শুঁটকি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করার পরিকল্পনা আছে। আশা করি, এতে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।’