সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

এবার নিউজিল্যান্ডের মসজিদে পুরো জুমার নামাজ আদায় হলো মাহমুদউল্লাহ’র ইমামতিতে!

১২:০৩ অপরাহ্ন | শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬ খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক – সিরিজ শুরুর আগে দলের খেলোয়াড়দের একসঙ্গে নামাজ আদায়ে ইমামতি করছেন বাংলাদেশ দলের মিস্টার কুলম্যান খ্যাত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এবার সিরিজের শেষ ম্যাচের আগেও নিউজিল্যান্ডের এক মসজিদে জুমার নামাজের ইমামতি করলেন রিয়াদ।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ওয়ানডের আগে মাত্র একদিন বিরতি। তাও দিনটি শুক্রবার। জুমার দিন। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের অনেকেই ধার্মিক। নামাজ খুব কমই মিস করেন। জুমার নামজ তো মিস করার প্রশ্নই ওঠে না। সুতরাং, বাংলাদেশ দলের অধিকাংশ ক্রিকেটারই গেলেন স্থানীয় এক মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে।

কাকতালীয়ভাবে স্থানীয় সেই মসজিদের ইমাম ছিলেন অনুপস্থিত। গুঞ্জন শুরু হলো, তাহলে কে করবেন ইমামতি? এ সময় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি, যাকে দেখে মনে হলো ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানি হবেন, তিনি বললেন, ‘আপনাদের মধ্য থেকে কী কেউ ইমামতি করতে পারবেন?’

mahmudullah-namaj

এ কথা শুনে মাহমুদউল্লাহ বললেন, জুমার নামাজ পরিচালনার নিয়মকানুন জানা আছে আমার। তবে খুতবা কোথায় পাবো? তখন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এলেন তামিম ইকবাল। মাহমুদউল্লাহ এবং তামিম ইকবাল মিলে বসে গেলেন গুগলে খোঁজাখুঁজি করতে। মোবাইলে বসেই গুগল খুঁজে তারা দু’জন বের করে ফেললেন জুমার নামাজের দুই খুতবা এবং সেটা ডাউনলোডও করে ফেললেন।

এরপর মোবাইল হাতেই মেহরাবে দাঁড়িয়ে গেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মোবাইলে রেখেই আরবিতে দুই খুতবা পাঠ করলেন তিনি। সবশেষে নেলসনের স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় জুমার নামাজের ইমামতি করলেন মাহমুদউল্লাহ। দারুণ দক্ষতায় খুতবাসহ পুরো জুমার নামাজ আদায় হলো বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের ইমামতিতে।

বাংলাদেশ দলের টিম হোটেল ট্রেইলওয়েজের খুব কাছেই অবস্থিত সেই মসজিদটি। স্থানীয় মুসলিমদের জন্য নির্মিত মসজিদটিতে অবশ্য খুব বেশি মুসল্লি ছিলও না। বাংলাদেশ দলের ১৫ থেকে ১৬জন ক্রিকেটার, সাংবাদিকরা এবং স্থানীয় প্রায় ১৮ থেকে ২০জন মুসল্লি ছিলেন।

ওই মসজিদে মহিলাদের জন্যও নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। জুমার নামাজের সময়ও উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন নারী মুসল্লি। যখন নামাজের জন্য দাঁড়াচ্ছিল সবাই, তখন মাশরাফি বললেন , এই কেউ মোতাওয়াল্লির কাজটা করে দে। পাশের রুমে মহিলারা আছে। তখন এক প্রবাসী বাঙালি মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব পালন করেন।