সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিউনিটি পুলিশের কমিটি দিয়ে চলছে কাউনিয়া থানার কার্যক্রম

৬:৫৩ অপরাহ্ন | রবিবার, জানুয়ারী ১, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

মোঃ ফেরদাউছ সিকদার, বরিশাল প্রতিনিধি: জনগণ আর পুলিশ একত্রে কাজ করাই হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং। দেশের সবগুলো থানায়ই কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয়। বরিশাল কাউনিয়া থানার প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই এর কার্যক্রম রয়েছে। কিন্তু এ থানার প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই খাতা কলমের বন্দি তাদের কার্যক্রম। প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি থাকলেও নেই কার্যক্রম।

barisal

কেননা কমিটির সকল সদস্যদের সমান অংশ গ্রহণ নেই। বিশেষ করে ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে হাতে গোনা কয়েকজন সদস্যই কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিউনিটি পুলিশের কয়েকজন বলেন, শুধুমাত্র সালিশ দরবার আর কাগজেই সীমাবদ্ধ তাদের কার্যক্রম। কেউ কেউ কমিউনিটি পুলিশের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকান্ডও করে।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এই কমিটির লোকদ্বারা সাধারণ মানুষ হয়রাণীর শিকার হচ্ছে। তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রাণী করে বলেও অভিযোগে জানা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছুদিন পূর্বে নগরীর প্রতিটি থানায়ই কমিউনিটি পুলিশিং এর উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত জাঁকমকপূর্ণ ওই অনুষ্ঠানে বিএমপি পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে ওইসব কর্মকর্তা বলেছেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের কাজে পরিপূর্ণ সফলতা আসবে না। তারা বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে জনগণ ও পুলিশ এক সঙ্গে কাজ করবে। সমাজের সমস্যাগুলো দূর করবে। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের কাজে পরিপূর্ণ সফলতা আসবে না। কমিউনিটি পুলিশ কমিউনিটি নিয়ে কাজ করবে। নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন ও বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে কমিউনিটি পুলিশ। এ সকল মতবিনিময় সভার পরপরই বিএমপির তিনটি থানায় কমিউনিটি পুলিশের পূরণো কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন করে কমিটি ঘোষণা করা হলেও তেমনটি করেনি কাউনিয়া থানা।

কমিটির মেয়াদ দীর্ঘদিন হওয়ায় কোন কোন সদস্য মনে করছে আজীবন মেয়াদী এই কমিটি। এদিকে থানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিলেও তাদেরকে প্রভাবিত করছেন পুরাতন কমিটির কেউ কেউ বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই সিদ্দিক মুঠোফোনে চায়ের দাওয়াত দিয়ে থানায় গিয়ে কথা বলার জন্য বলেন।

থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সেলিম রেজা সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আপাতত পুরাতন কমিটি দিয়েই কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছি। এ কমিটিতে যারা আছেন তারা নতুন কমিটিতে থাকবেন। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি হবে তা তিনি বলা যাচ্ছেনা।

এছাড়া নতুন কমিটিতে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেন তিনি।