• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৩:১৯মিঃ

ধর্ষিতা হ্যাপির ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণে ব্যস্ত একাধিক মহল

১:৪৮ অপরাহ্ন | সোমবার, জানুয়ারী ২, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি: ধর্ষণের শিকার হওয়া হ্যাপী আক্তারের ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণে মরিয়া হয়ে উঠেছে ধর্ষকের পরিবার ও স্থানীয় সুবিধাভোগী একাধিক প্রভাবশালী মহল। ধর্ষিতা হ্যপির ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে ধর্ষকের পরিবার। এমনি অভিযোগ করেন হ্যাপী আক্তার।

hap-and-ron

সময়ের কণ্ঠস্বরের সাথে আলাপকালে কান্না জড়িত কণ্ঠে হ্যাপি জানান, একজন নারী কখনোও তার ইজ্জত হরন নিয়ে মিথ্যা বলেনা। রনি বিয়ের নাটক সাজিয়ে আমাকে একবার নয় টানা এক বছর ধরে ধর্ষণ করেছে। অথচ রনি ও তার পরিবার ভোলার স্থানীয় কিছু সাংবাদিক ভাইদের দিয়ে দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গোলাম ওয়ারেছ মন্টুর ছেলে মাহফুজুর রহমান (রনি) ঢাকা পড়া লেখার সুবাদে মিরপুর এলাকার হ্যাপীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং রনি তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে বিয়ের নাটক সাজিয়ে সাংসারিক কার্যক্রম শুরু করে। এতে হ্যাপী অন্তঃসত্ত্বা ও হয়ে পড়ে। কিছু দিন পর রনি চরফ্যাশন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনায় রসুলপুর ইউনিয়ন পরিদর্শক পদে চাকুরী হওয়ায় হ্যাপীকে কিছু না জানিয়ে পালিয়ে আসেন। গত (৭ নভেম্বর ২০১৬) হ্যাপী স্ত্রীর দাবি নিয়ে রনির বাড়িতে উঠলে রনি হ্যাপীকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন।

এদিকে পিতা-মাতা হারা অসহায় নির্যাতিতা হ্যাপী আক্তার প্রতারণার ফাঁদে পরে বাহানা মূলক বিয়ে পড়িয়ে দাম্পত্য স্বত্ব পালনের নামে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় প্রতারক রনি। অতপর অন্তঃসত্ত্বা ঘটানোর প্রতিকার চেয়ে স্বামীর স্বীকৃতির জন্য ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে মামলা করেছে হ্যাপী।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় (৩০ নভেম্বর ২০১৬) হ্যাপী জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রনিসহ ৭ জনকে আসামী করে কমপেইন পিটিশন মামলা নং ৯২৩/১৬ইং দায়ের করেন। শুনানী শেষে উহার তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিজ্ঞ আদালত সহকারী পুলিশ সুপার লালমোহনকে নির্দেশ দেন।