• আজ বুধবার। গ্রীষ্মকাল, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১০:৩৭মিঃ

আগৈলঝাড়ায় আটক বখাটেকে পুলিশ ছেড়ে দেয়ার সংবাদ প্রকাশের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের তদন্ত

৭:৪৮ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৩, ২০১৭ Breaking News, দেশের খবর, বরিশাল

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মা ও মেয়েদের যৌণ হয়রানির অভিযোগে পুলিশ অভিযুক্ত আটক বখাটেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এমন সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে প্রসাশনের। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বিকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন। পরবর্তীতে আগৈলঝাড়া থানায় এসে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা তদন্ত করেছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামের কবির ফকিরের স্ত্রী সুফিয়া বেগম গত সোমবার আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগে জানান, তার স্বামী জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় থাকার সুযোগে একই বাড়ির গ্রাম পুলিশ শাহ আলম ফকিরের বখাটে পুত্র আল আমিন (৩২) দীর্ঘদিন থেকে সুফিয়াকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

অভিযোগে আরও জানা গেছে, বখাটে আল আমিন তার চাচী সুফিয়া বেগমের পাশাপাশি তার নবম ও ষষ্ঠশ্রেণীতে পড়ুয়া দুই মেয়েকেও দীর্ঘদিন থেকে যৌণ হয়রানি করে আসছে। বখাটের অব্যাহত উত্যক্তর কারণে ওই দুই ছাত্রীর লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বখাটের বাবার কাছে বিষয়টির অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষিপ্ত হয়ে অতি সম্প্রতি সুফিয়া বেগম গোসল করতে গেলে বখাটে আল অমিন তাকে ঝাপটে ধরে শ্লীলতাহানি ঘটায়। উপায়ন্ত না পেয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে বখাটে আল অমিন ফকিরকে আসামী করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দীপিকা রানী সেন বিষয়টি আগৈলঝাড়া থানাকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। থানা পুলিশ রবিবার রাতে বখাটেকে আটক করার পর রহস্যজনক কারণে তাকে ছেড়ে দেয়।

bokhate-evetising

ভুক্তভোগী সুফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, থানার ওসি ও দারোগা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বখাটেকে ছেড়ে দিয়েছেন। এ ঘটনায় সুফিয়া বেগম পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে বিচার দাবি করেন। এরপর পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার বিকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সরেজমিনে তদন্ত করেন। এ রিপোর্ট (৭:৪৫) লেখা পর্যন্ত অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে। তবে থানা থেকে এব্যাপারে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

তাস খেলায় বাঁধা দেয়ায় পিতা-পুত্রকে পিটিয়ে আহত

তাস খেলায় বাঁধা দেয়ায় জেলার বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামে পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আহত সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত কাসেম মোল্লার পুত্র জামাল মোল্লা, কামাল হোসেনসহ তাদের সহযোগীরা সুজনকাঠী দরগাবাড়ি মসজিদ সংলগ্ন দোকানের সামনে সোমবার রাতে তাস খেলছিল। এ সময় একই এলাকার শহীদ মোল্লার পুত্র বিএম কলেজের ছাত্র আমিনুল ইসলাম রনি তাস খেলায় বাঁধা দেয়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে আমিনুলকে পিটিয়ে আহত করে পানিতে ডুবিয়ে গুরুতর আহত করে। হামলাকারীদের বাঁধা দিতে এগিয়ে আসলে আমিনুলের পিতা শহীদ মোল্লাকেও পিটিয়ে আহত করে জামাল ও কামাল।