• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১২:৪৮মিঃ

ভূ-গর্ভে বিশাল ফাটলের সন্ধান: প্রায় ১ কোটি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ!

৮:১৪ অপরাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ৪, ২০১৭ Breaking News, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, স্পট লাইট

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর – বাংলাদেশে ঘনঘন ভূকম্পন অনুভূত হচ্ছে। সর্বশেষ গত ৪ জানুয়ারী সারাদেশ কেঁপে উঠল ভূমিকম্পে। ভূমিকম্পে এভাবেই কাঁপছে বাড়ি ঘর। সবার ভয় এই বুঝি ভেঙে পড়ছে মাথার উপর। এমন ভয় এখন সবার পেয়ে বসেছে।

এদিকে দীর্ঘ দিন ধরেই বাংলাদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং সুনামির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর লক্ষণ হিসেবে প্রায়ই দেশের কোথাও না কোথাও মৃদু ও মাঝারি মাত্রায় ভূমিকম্প হচ্ছে। এবার দেশে যে কোনো সময় অনুভূত হতে পারে বড় ধরনের ভূমিকম্প এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা!

সম্প্রতি বাংলাদেশ, ভারত-মিয়ানমারের সংযোগ স্থলের ভূ-গর্ভে বিশাল ফাটলের সন্ধান পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ কারণে বাংলাদেশসহ এর আশপাশের এলাকায় ঘটতে পারে ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্প।

search-a-huge-crack-in-the-earth

কলোম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ড. মাইকেল স্টেকলারের অধীনে চলা এক গবেষণা থেকে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই ফাটলের ৬০ মাইলের মধ্যে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করে। আর এই ভূমিকম্পের প্রভাবে প্রায় ১০ মিলিয়ন অর্থাৎ ১ কোটি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, এই ফাটলটি গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্রের পলি মাটি দ্বারা ভরাট হয়ে আছে। প্রায় কয়েক মিলিয়ন টন পলি জমা হয়েছে। ড. মাইকেল স্টেকলার সিএনএন-কে জানান, তিনি আশঙ্কা করছেন, এই ফল্ট লাইনটি এখনো সচল। এর আগে এমন বড় ফাটল থেকে ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে বিপর্যয় হয়। এরপর ২০১১ সালে জাপানেও একই রকম বিপর্যয় দেখা দেয়। দুইবারই বিশাল সুনামির উৎপত্তি হয়েছিল সেখান থেকে। এমনকি এই ফাটল থেকে যে ভূমিকম্প হবে তাতেও সুনামির আশঙ্কা রয়েছে। তবে কবে এমনটি হতে পারে এ ব্যাপারে কিছুই জানাননি বিশেষজ্ঞরা।

তারা জানান, যে কোনো সময়ই ঘটতে পারে এমন দুর্ঘটনা। তবে যখনই হোক না কেন, এটা বাংলাদেশের জন্য হয়তো বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হবে। এ জন্য সরকারকে ভূমিকম্প সহনশীল স্ট্রাকচার তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভূমিকম্পের ভয়াবহতা মোকাবিলায় বাংলাদেশ কি প্রস্তুত?