বরগুনায় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা

৪:৫০ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৫, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

এম এ সাইদ খোকন, বরগুনা প্রতিনিধি: আজ বৃহস্পতিবার থেকে বরগুনার সার্কিট হাউজ মাঠে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা।

kj

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের সহযোগিতায় বরগুনা জেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করেছে। মেলায় মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে, লোকবেতার এফএম ৯৯.২। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান লোকবেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানও প্রচারিত হবে লোকবেতারে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় করা হয়েছে বর্নাঢ্য র‌্যালী। বেলা ১১ টায় শুরু হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ গাউস। সভাপতিত্ব করেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক ডঃ মহা. বশিরুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম, সিভিল সার্জন ডাঃ জসীম উদ্দীন হাওলাদার, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুস সালাম ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুর রশিদ মিয়া।

আলোচনা করেন, মেলা আয়োজন কমিটির আহবায়ক মোঃ নুরুজ্জামান, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মাইনুল আহসান ও বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ। এবারের মেলায় ৬৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করেছে। প্রতিদিনই বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।

সেই সাথে চলছে সিটিজেন ভয়েজ-বরগুনার জন্য বন্ধু সংগ্রহ অভিযান। যারা এ ফেসবুক পাতায় সবচেয়ে বেশী বন্ধু যুক্ত করবেন, তাদের মধ্যে ৩ জনকে দেয়া হবে পুরস্কার। সিটিজেন ভয়েজ পাতায় বরগুনার সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হচ্ছে। তাৎক্ষনিকভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। বরগুনার উন্নয়নে এ পাতাটি প্রশংসনীয় ভুমিকা পালন করছে।

বাবু আলী দাখিল মাদ্রাসায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

বরগুনার তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া বাজার বাবু আলী দাখিল মাদ্রসায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বিতরনের জন্য সরকারি বই বিতরনে সেসন ফি এর নাম করে শ্রেণি অনুসারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা না দিতে পারায় এখনও নতুন বই হাতে পায়নি অনেক শিক্ষার্থী।

মাদ্রাসায় গিয়ে ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রচুর বই মজুদ পাওয়া গেছে। এছাড়া একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় পচাকোড়ালিয়া বাজার ইসলামিয়া শিশু সদন নামে একটি এতিমখানা আছে। এতিমখানায় ৬ জন এতিমের সরকারি কেপিটেশন গ্রান্ড বরাদ্ধ থাকলেও একজন এতিমও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আলতাফ হোসেন পাটওয়ারী বলেন – এতিমখানায় এতিম আছে, বর্তমানে এতিমখানা বন্দ তাই তারা বাসায় খাওয়া দাওয়া করছে। এতিম শিক্ষার্থী ক্লাশে আছে কি ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এখোনো ক্লাশে আসেনি। এ বিষয়ে সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এতিমখানার সাথে সংশ্লিষ্ট নই। বই দেয়ার সময়ে টাকা নেয়া প্রসঙ্গে বলেন, বই দেয়ায় টাকা নেয়া হয়নি সেশন চার্য নেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন বইয়ের প্রসঙ্গে সুপার বলেন, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের অতিরিক্ত বই শিক্ষা অফিস জমা নেয়নি তাই পড়ে আছে। এ বছর অতিরিক্ত বই ফেরত দেব। অতিরিক্ত চাহিদা কেন দিলেন? এমন প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি।

বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসার সুকুমার চন্দ্র হালদার সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বই দেয়ার সময় কিছুতেই টাকা নেয়া যাবেনা। এটা সম্পূর্ণ বে-অইনি। সেশনফি না দিলেও বই আটকানো যাবেনা। আমি বিষয়টি জেনে ব্যাবস্থা নেব।