• আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে মহিষে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দুই যুবকের আঙ্গুল কর্তনসহ আহত পাঁচ

৬:০৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৫, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি-  পটুয়াখালীা সদর উপজেলার পূর্ব আউলিয়াপুরে মহিষে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে মাইন উদ্দিন (২৮) ও হাবিবুর রহমান (২৫) নামে দুই যুবকের হাতের আঙ্গুল কেটে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা।

এসময় ওই পক্ষের মহিলাসহ আরো তিন জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্য আশংকা জনক অবস্থায় মাইন উদ্দিন, হাবিবুর রহমান এবং জাহানারা বেগম (৫৫) কে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন পটুয়াখালী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

1471532296আহতর পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, বুধবার শেষ সন্ধ্যায় মাইন উদ্দিন ও হাবিবুর রহমান তাদের আবাদকৃত জমির ধান কেটে বাড়ীতে নিয়ে যাওয়া জন্য রাস্তায় স্তুপ করে রাখেন। এসময় প্রতিবেশি আলম হাওলাদারের পালিত কয়েকটি মহিষ এসে ধান খেতে শুরু করেন। ধানের মালিক পক্ষ (আহতরা) এ দৃশ্য দেখে মহিষ গুলোকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য মৃদু লাঠিপেটা করেন। এতে মহিষের মালিক পক্ষ আলম হাওলাদার, মোজাম্মেল, কুদ্দুস এবং বাদশা মিয়া এসে তাদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন।

এক পর্যায় সংর্ঘষের সময় প্রতিপক্ষের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাইন উদ্দিনের বাম হাতে তিনটি আঙ্গুল এবং হাবিবের দুই হাতের দুইটি আঙ্গুুল হাত থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিত পরে যায়। এসময় ছেলেকে বাচাতে এসে হামলার শিকার হয় হাবিরের মা জাহানারা বেগম, তার চাচাতো ভাই রুবেল প্যাদা(১৭), রাসেল প্যাদা (১৪)।

স্থানীয়রা আহতদের পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ওই রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাইন উদ্দিন, হাবিব ও জাহানারাকে বরিশাল প্রেরন করেন এবং বাকি দুই জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় মামলা প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহতরা।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনর্চাজ এসএম তারিকুল ইসলাম জানান, আমি হামলার ঘটনা শুনেছি। আহত ব্যক্তিদের প্রথমে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। সুস্থ্য হলে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও বলেছি।