• আজ ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ধনিয়া চাষ লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে

২:০১ অপরাহ্ন | বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০১৭ দেশের খবর, রংপুর

ফয়সাল শামীম, নিজস্ব প্রতিবেদক: কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে চলতি রবি মৌসুমে ব্যাপক হারে ‘বারি-১ জাতের ধনিয়া চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় ধনিয়ার ফলন দারুন ভাল হয়েছে।

dhona

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবীদ মকবুল হোসেন জানান, চলতি রবি মৌসুমে ২৮০ হেক্টর জমিতে ধনিয়া চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হলেও পরিবেশ অনুকুল থাকায় তা ছাড়িয়ে গেছে।

সরেজমিন তথ্য অনুসারে ৩০-৪০ হেক্টর জমিতে বেশি চাষ করা হয়েছে। ধনিয়া একটি মসলা জাতীয় রবিশষ্য। ধনিয়ার কচি পাতা সালাদ ও তরকারীতে সুগন্ধি মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ধনিয়ার বীজ বেটে বা গুড়া করে তরকারীতে মসলা হিসাবে এবং খিলি পানে খাওয়া যায়। ধনিয়া একটি অধিক পুষ্টিকর মসলা। ধনিয়া দো আশ ও বেলে মাটিতে ফলন ভাল হয়। এছাড়া এলবি-৬০ এবং এলবি-৬৫ জাতের লালতীরের ধনিয়া সাড়া বছর চাষ করা যায়।

ধনিয়া রবি মৌসুমের আশ্বিন-কাত্তিক মাসে বীজ বপন করতে হয় এবং ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে এর কচিপাতা খাওয়া যায়। ধনিয়া ক্ষেতে রোগবালাই খুবই কম আক্রমন করে এবং খরচও একেবারেই কম। সরেজমিন নুনখাওয়ার ইউনিয়নের চরকাপনা গ্রামে দেখা যায় বিঘার পর বিঘা জমিতে ধনিয়া চাষ করা হয়েছে।

ওই গ্রামের কৃষক দবির উদ্দিন ও ময়েজ আলী জানান, তারা দুই জনেই একবিঘা করে জমিতে ধনিয়া চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তারা বলেন, প্রতি কেজি ধনিয়া পাতা ৫০ টাকা করে বিক্রী করে প্রতি বিঘায় ১৪-১৫ হাজার টাকা পাতা বিক্রী করেছেন।

চৌদ্দঘুরি চরের কৃষক আবেদ আলী সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন,‘ আমি ৭ বিঘা জমিতে ধনিয়া চাষ করে এক লাখ টাকা উপরের শুধু কচি পতাই বিক্রী করেছি। অবশিষ্ট গাছের বীচি ৫০ হাজার টাকা বিক্রী করবো। কৃষকরা জানান, ধনিয়া চাষ করে তারা লাভবান হচ্ছেন।