আদালতে খালেদা জিয়া

১২:১৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২, ২০১৭ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন‌্য আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে পৌঁছান তিনি।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন বিএনপি চেয়ারপারসন।

192488_135গত সোমবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় শুনানির পর আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিতে আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। শুনানিতে খালেদা জিয়াকে আদালত উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থানের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

খালেদা জিয়া আসার আগেই বিএনপির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও তার আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত হন। খালেদার আসাকে কেন্দ্র করে আদালত পাড়া এলাকায় নেয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যারা ভেতরে ঢুকছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের তল্লাশি করছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরো একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেনি ট্রাস্ট।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।