সংবাদ শিরোনাম

ফের করোনার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনাবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে: : নরেন্দ্র মোদিসীমানা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাধা হওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রীগাজীপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটককালকিনিতে পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা আপত্তিকর অবস্থায়  আটকজিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আপত্তিকর: রিজভীনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বরযাত্রীবাহী বাস ধানক্ষেতে, আহত ১৫রংপুরে ধর্ষণ মামলায় এএসআইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটসিরাজগঞ্জে পুত্রবধু ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতারওবায়দুল কাদের সাহেব আমি রাজাকারের সন্তান নই: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাসুল (সাঃ) এই দোয়াই সবচেয়ে বেশি পাঠ করতেন

৭:০২ অপরাহ্ন | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ৩, ২০১৭ ইসলাম

ইসলাম ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর. আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার দাসত্ব করার জন্য। দাসত্ব থেকে দাস । যে ব্যক্তি তার মুনিবের কাজ পূর্ণাঙ্গরূপে পালন করবে সে তার দাসত্বের পুরস্কার পাবে। মানব হিসেবে আমরা আল্লাহর গোলাম বা দাস। জীবনের সর্বত্র আল্লাহর হুকুম মেনে চলতে পারলেই আল্লাহ আমাদের ওপর সন্তুষ্ট থাকবেন। মানবজীবনে অনেকগুলো ধাপ বা স্তর অতিক্রম করতে হয়। যথা- শৈশবকাল, কৈশোরকাল, যৌবনকাল, পারিবারিক জীবন ইত্যাদি। পারিবারিক জীবনে প্রবেশ করার মাধ্যমেই মনুষ্যত্বের পূর্ণতা ঘটে। স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা সকলেই পারিবারিক জীবনের সদস্য। সকলের সাথে সুসম্পর্ক ও অধিকার নিশ্চিত করার ওপরই পারিবারিক জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ভর করে। মহান সৃষ্টিকর্তার মর্জি মোতাবেক যারা এ জীবনটাকে পরিচালনা করতে পারেন তাদের জন্য রয়েছে ইহকালীন সুখ ও পরকালীন মুক্তি। এক্ষেত্রে যার পদচারণা ও দর্শন আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে তিনি হচ্ছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা)। তার গোটা জীবনের সকল ক্ষেত্রেই মানবজীবনের আদর্শ বিরাজমান। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আল কুরআনে তার সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন- لقد كان لكم فى رسول الله اسوة حسنة ‘তোমাদের জন্য রাসূল (সা)-এর মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহজাব)
রাসূল (সা) ২৫ বছর বয়সে পারিবারিক জীবনে প্রবেশ করে পৃথিবীতে পারিবারিক জীবনের মহান আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। নিজে যেমন পরিবারিক জীবনে সকলের অধিকার বাস্তবায়ন করেছেন। তেমনি অন্যকে এ অধ্যায়ে সফলতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করেছেন। রাসূল (সা) বলেছেন-الخلق عيال الله فاحب الخلق من احسن الى عياله সকল সৃষ্টি আল্লাহর পরিবার এক্ষেত্রে সর্বাধিক প্রিয় সে, যে তার অধীনস্থদের সাথে সদাচরণ করে।

ইসলামী জিন্দেগীর রূপ রেখা হলেন স্বয়ং রাসূল (সা.)। তিনি যা কিছু করতে, তা সবই মহান আল্লাহ তা’য়ালার জন্য করতেন। নবী করিম (সা.) অসংখ্য দোয়া পাঠ করতেন। তবে তিনি একটি দোয়া সবচেয়ে বেশি পাঠ করতেন।

সেই দোয়াটিকে সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া বলা হয়ে থাকে।
দোয়া: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ (রাব্বানা আতিনা ফিদ্ দুনইয়া হাসানাহ্, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ্। ওয়াকিনা
আজাবান্নার)।

অর্থ: হে আমার প্রভু! আমাকে দুনিয়াতে সুখ দান কর, আখেরাতেও সুখ দান কর এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও। – সূরা আল বাকারা: ২০১‍

doaবিশিষ্ট তাবেয়ি হজরত কাতাদাহ (রহ.) সাহাবি হজরত আনাসকে (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, নবী করিম(সা.) কোন দোয়া বেশি করতেন? উত্তরে সাহাবি হজরত আনাস (রা.) উপরোক্ত দোয়ার কথা জানালেন। তাই হজরত আনাস (রা.) নিজে যখনই দোয়া করতেন- তখনই দোয়াতে এই আয়াতকে প্রার্থনারূপে পাঠ করতেন। এমনকি কেউ তার কাছে দোয়া চাইলে তিনি তাকে এ দোয়া দিতেন। – সহিহ মুসলিম : ৭০১৬

হজরত আনাস (রা.) আরও বলেন, আল্লাহতায়ালা এ দোয়ায় দুনিয়া ও আখেরাতের সকল কল্যাণ ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা একত্রিত করে দিয়েছেন।

আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ দান করুন। সেই সঙ্গে সকল প্রকার অকল্যাণ থেকে হেফাজত করুন। আমিন।