• আজ ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বসত ঘড় পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ,১০ লাখ টাকার ক্ষতি


fs


বরগুনা   প্রতিনিধিঃ

আমতলী উপজেলার টেপুরা গ্রামে শ্রক্রবার গভীর রাতে  জমিজমা  নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের  দেয়া আগুনে হোসেন মাতুব্বর’র দোতলা টিনের বসত ঘর, রান্না ঘর ও খড়ের পালা পুরে ছাই হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অগ্নিকান্ডে মালামালসহ প্রায ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়রা জানান, টেপুরা গ্রামের হোসেন মাতুব্বর ও ফারুক গাজী ও তার চাচাত ভাই শাহজাহান গাজীর  সাথে ৮৭ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। এ জমির ধান কাটা নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়  গ্রুপের ১১ জন আহত হয়। মারামারির ঘটনায় উভয় গ্রুপ আমতলী থানায় মামলা দায়ের করে। এ ঘটনার জের ধরে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা জানান।

অগ্নীকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হোসেন মাতুব্বর কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, জমি দখলে নিতে না পেরে ফারুক গাজী ও শাহজাহান গাজীর  লোকজন আমার বসত ঘড়, রান্না ঘড়সহ খরের পালা পুড়িয়ে দিয়েছে। অগ্নিকান্ডের  ঘড়ে রক্ষিত ধান চাল কাপর চোপর স্বর্নলঙ্কারসহ প্রায়  ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও হোসেন মাতুব্বর দাবী করেন। তিনি আরো জানান, শুকবার সকালে ফারক গাজী আমাদের বাড়ি এসে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। হুমকি দেওয়ার পর রাতেই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তিনি আরো জানান, মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ঘটনার দিন আমরা কেউ বাড়ি ছিলাম না।  সকালে খবর পেয়ে বাড়ি এসে দেখি আমাদের সব কিছু পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘড় পোড়ানোর ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান হোসেন মাতুব্বর।

ফারুক গাজী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,  জমি নিয়ে মুল দ্বন্দ আমার চাচাত ভাই শাহজাহান গাজীর সাথে।  শুক্রবার সকালে আমি দ্বন্দ নিরশনের জন্য একজন পুলিশের সাথে বাড়ি গিয়েছিলাম। অগ্নিকান্ডের সাথে আমাদের কোন লোকজন জড়িত নয়।
অভিযুক্ত শাহজাহান গাজী জানান, ঘড় পোড়ানোর সাথে আমরা কেউ জড়িত না। শক্রতামূলক আমাদের জড়ানো হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য এলিন হোসেন টুটু জানান, শনিবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।  ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক । অগ্নিকান্ডে হোসেন মাতুব্বরের সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা উচিত।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি। মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ।

◷ ৬:০২ অপরাহ্ন ৷ শনিবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল