আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত পাঠানোর প্রয়োজন দেখছি না: দুতের্তে


4bkab56b5397ebgc51_800C450


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে বলেছেন, আমেরিকায় আপাতত তার দেশের কোনো রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেয়ার প্রয়োজন মনে করছেন না তিনি। চলতি সপ্তাহে দাভাও নগরীতে ভাষণ দেয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।

দুতের্তে বলেন, আমেরিকায় ফিলিপাইনের কোনো রাষ্ট্রদূত নেই কিন্তু সেখানে কোনো রাষ্ট্রদূত পাঠানো হবে না। অবশ্য এ বক্তব্যের কোনো ব্যাখ্যা দেন নি প্রেসিডেন্ট দুতের্তে।

আমেরিকায় ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতের পদটি গত সাত মাস ধরে শূন্য হয়ে আছে। উপ রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে সেখানকার ফিলিপাইনের দূতাবাস কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে।

দুতের্তে এর আগে কয়েক দফা আমেরিকায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করেছেন কিন্তু প্রার্থীরা নানা কারণে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ফিলিপাইনের প্রধান প্রোটোকল কর্মকর্তা মার্সিয়ানো পেনোরকে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে আসিয়ান সম্মেলন অনুষ্ঠানের বিষয়ে ব্যস্ত থাকায় তার যাওয়া সম্ভব হয় নি এবং পদটি খালি রয়েছে।

গত ডিসেম্বরে দৈনিক স্টারের কলামিস্ট ম্যানুয়েল “বেব” রোমুয়ালদেজকে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রথমে তিনি এ পদ গ্রহণের সম্মত হলেও পরে চোখের সমস্যা দেখিয়ে দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন রোমুয়ালদেজ। গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, “আমি দেশকে ভালোবাসি তবে নিজ শরীরেরও যত্ন নিতে হবে।”

২০১৬ সালের জুনে দুতের্তে ক্ষমতা নেয়ার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের সঙ্গে তীব্র টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন দুতের্তে। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভাল হবে বলেই ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু গত মাসের শেষ দিকে ফিলিপাইনে আমেরিকা স্থায়ী অস্ত্র ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা করছে অভিযোগ করে ট্রাম্পকে হুঁশিয়ার করে দেন দুতের্তে। তিনি বলেন, এরকম তৎপরতা ফিলিপাইন-মার্কিন নিরাপত্তা চুক্তিকে বিপদে ফেলবে।

◷ ৩:৪৯ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৭ আন্তর্জাতিক