সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটা সৈকত থেকে বালু উত্তোলন করে বাড়ি ভরাট

৯:০০ অপরাহ্ন | রবিবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

ddh


পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

কুয়াকাটা সৈকত ভাঙ্গন রক্ষায় সরকার যখন নানামুখী পরিকল্পনা নিয়েছে সেই মুর্হুতে রাস্তা ও বাড়ি ভরাটের নামে সৈকত থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। মহিপুর ভুমি অফিসের নাম করে এ বালু উত্তোলন করছে বলে স্থানীয়রা জানায়। সরজমিনে, শনিবার সন্ধ্যায় সৈকতের পূর্বদিক পিকনিক স্পট সংলগ্ন বেলাভুমি থেকে প্রকাশ্যে ট্রাক্টর ট্রলি ভরে বালু তোলা হচ্ছে। বালু উত্তোলন কাজে নিয়োজিত ট্রলি শ্রমিক হায়দার জানিয়েছে, গাড়ি প্রতি ৫শ’ টাকায় সৈকত থেকে এ বালু তুলে বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে তারা।

এবিষয়ে পিকনিক স্পটের দেখভালের দায়িত্বে থাকা কুদ্দুস বলেন, পিকনিক স্পটের তার বাড়ি ভরাটের কাজে এক ট্রলি বালু নিচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কুদ্দুস জানান, কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই তিনি এ বালু উত্তোলন করছেন। সংশ্লিস্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর তোফায়েল আহম্মেদ তপু জানিয়েছে, কুদ্দুস সৈকত থেকে একাধিকবার বালু উত্তোলন করেছেন। যখনই তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এ বিষয়ে কুদ্দুস বলেছেন পিকনিক স্পটের রাস্তা নির্মাণের জন্য বালু কাটা হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র ও সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম সদস্য আঃ বারেক মোল্লা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ভুমি অফিসের কথিত কেয়ার টেকার কুদ্দুস নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। সৈকত থেকে বালু কাটা থেকে শুরু করে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, পিকনিক স্পটের গাছ কেটে বিক্রি, গাড়ি পাকিং’র নামে অবৈধ বানিজ্যের সাথে জড়িত। মেয়র আরোও জানান, কুদ্দুস ফার্মস এন্ড  ফার্মসের পিকনিক স্পট ও সৈকত নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি  হিসেবে ব্যবহার করছেন।

এব্যাপারে মহিপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও কলাপাড়া উপজেলা ভুমি কর্মকর্তাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম সাদেকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সৈকত থেকে বালু তোলার বিষয়টি জানা নেই। এমনটা হলে তদন্ত করে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।