ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব ইজতেমা: উচ্ছাসিত জেলাবাসী, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

৭:২৮ অপরাহ্ন | সোমবার, ফেব্রুয়ারী ৬, ২০১৭ দেশের খবর, রংপুর

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে চলছে বিশ্ব ইজতেমা। তাই উচ্ছাসিত ঠাকুরগাঁওবাসী।

চলতি মাসের ২৩-২৫ তারিখে ঠাকুরগাওয়েই অনুষ্ঠিত হচ্ছে তুরাগ নদীর বিশ্ব ইজতেমা। সে জন্য ইতোমধ্যে ইজতেমার স্থান নির্ধারণ করে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কেষ্টপুর ফার্ম মাঠ কে ইজতেমার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

thakurgaon_newsইজতেমা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে চার ভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। ২০১১ সালের আগে প্রতি বছর এক ধাপে অনুষ্ঠিত হতো বিশ্ব ইজতেমা । মুসল্লিদের স্থান পর্যাপ্ত না হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে দুই পর্বে ইজতেমা শুরুর পর ২০১৬ সালে এ পরিবর্তন আনা হয়। তারই ধারাহিকতায় প্রতি বছর দেশের ৩২টি জেলার মুসলিমদের নিয়ে টঙ্গী তুরাগ নদীর তীরে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ৩২টি জেলা নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি বছরে তুরাগ তীরে ইজতেমায় অংশ গ্রহনকারীরা পরের বছর নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবে। তবে বিদেশী মুসল্লিরা প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন।

ইজতেমার সেচ্ছাসেবি মোঃ আলমগীর হোসেন আলম জানান , এবার জেলায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ মুসলিমের সমাগম হবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে । সেই অনুযায়ী নতুন বছর ২০১৭ ইং এর ২৩ শে জানুয়ারি থেকে ইজতেমা মাঠের কাজ, বাঁশের খুটির উপর চটের ছাউনি দিয়ে আবৃত করা সহ মুসল্লিদের অযু খানা, অস্থায়ী টয়লেট ও গোসল পয়ঃসিষ্কাষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ইজতেমায় আশা মুসলমানরা একই বা একক প্যান্ডেলের নিচে অবস্থান করবেন। দুর থেকে আশা ধর্ম প্রাণ মুসল্লিদের জন্যে একসাথে ৪০ হাজার মানুষের ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে সাধারণত মুসল্লিরা নিজেদের খরচে খাওয়ার দাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার ফারহাত আহম্মেদের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বদা সজাগ থাকবে প্রসাশন। চার থেকে পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ার বসিয়ে ইজতেমা ময়দানে দৃষ্টি রাখা হবে। ইজতেমার সম্পূর্ণ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সহ সকল পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তার ব্যাপারে পুলিশ সর্বদাই সজাগ থাকবে।