সড়কের বেহাল অবস্থা দেখে শেষ পর্যন্ত কোদাল হাতে মহেশখালির ইউপি চেয়ারম্যান

২:৫৭ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৭, ২০১৭ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

নিজস্ব প্রতিনিধি-  মহেশখালি উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থা দেখে শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগেই আজ দুপুর ২টায় মাটি কাটার কাজ উদ্বোধন করেন।

দীর্ঘদিন ধরে ধলঘাটা ইউনিয়ের একমাত্র প্রধান সড়ক সাপমারারডেইল থেকে সুতরিয়ার পর্যন্ত রাস্তাটির কাজ হচ্ছে বলেও হচ্ছে না। যদিও পর্যাপ্ত বাজেট আর সুনজরের অভাবে অনেকদিন অযত্ন অবহেলায় জীর্ণ শীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিগত ৪৫ বছর।

unnamedস্বাধীনতার পর থেকে যদি মহেশখালিতে কোন গ্রাম বিদুৎ বিহীন থাকে তার নাম ধলঘাটা ইউনিয়ন। ইউনিয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র প্রধান সড়ক সাপমারারডেইল থেকে সুতরিয়ার পাড়ার খানাখন্দ সড়ক। জনপ্রতিনিধি পরিবর্তন হয় সাথে সরকারের শাসন ব্যবস্থা ও ৪৫বছরে অনেকে পার করেছে কিন্তু পরিবর্তন হয়না বিছিন্ন ধলঘাটার ২৫ হাজার মানুষের ভাগ্য।

এলাকার চেয়ারম্যানের দাবি, বর্তমান সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শেষ অবধি নজর পড়লো অবহেলিত ধলঘাটা সড়ক উন্নয়নের কাজের বরাদ্দ পেয়ে। এবারে অর্থবরাদ্ধ এসেছে ৩০ চেইনের মতো কাজ তরান্বিত করা। সে অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি হলে সামান্য কিছু সড়কের কাজের অভাবে গ্রামের মানুষ হতাশ হয় বলে জানা যায়।

মাত্র ৫ চেইন সমপরিমাপ দীর্ঘ সড়কের কাজ বর্ধিত হলে সম্পুর্ন কাজে সাফল্য আসবে ধলঘাটা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। গ্রামে গ্রামে মানুষের এমন কানাঘুষা চলতে থাকে, সুবিধা বন্জিত জনগনের শেষ ইচ্ছা পুরণে করতে গিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই কাধে তুলে নিলেন মাটি কাটার কোদাল। জনগনের সাহায্যার্থে নিজ অর্থায়নে শ্রমিকের সাথে গ্রামের স্বপ্ন পুরণে এগিয়ে গেলেন গ্রামবাসীর সাথে কাজ করতে মাঠে।

এদিকে সরকারি বরাদ্ধ অপ্রতুল হলেও সামনের বর্ষা মৌসুমের আগে সড়কের কাজ শেষ না করলে বেকায়দা পড়বে জনগন। এমন শংকায় চেয়ারম্যান নিজেই এগিয়ে এলেন বলে বিশেষসুত্রে জানা যায়।

স্থানীয় এক চাকরিজীবী সাদেক জানান, দেশ ও জাতির সেবার মানসে দেশের প্রতিটি গ্রামে যদি এ রকম জনপ্রতিনিধির জম্ম হতো তবে বদলে যেতো প্রতিটি গ্রাম বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ধলঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, দেশের সীমিত সম্পদ অনুযায়ী সরকার একই সাথে প্রতিটি জেলায় সমান তালে কাজ করতে পারেনা। কেনোনা জনগনের মৌলিক চাহিদা পুরনে সরকার বদ্ধ পরিকর। তারপরেও বর্তমান সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ও স্থানীয় সাংসদের সহযোগিতায় অনেকটা বদলে যেতে শুরু করেছে ধলঘাটা ইউপির যোগাযোগব্যবস্থা এমন মন্তব্য করেন তিনি।