পরকীয়া প্রেমের টানে আদিবাসী যুবকের ঘরে উঠেছে মুসলিম গৃহবধূ!

১:২৪ পূর্বাহ্ন | বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০১৭ চিত্র বিচিত্র, নারী, রাজশাহী

নিউজ ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর ঃ কথায় বলে – ‘প্রেমেতে মজিলে মন কিবা হাড়ি,কিবা ডম’ এমনি এক ঘটনা ঘটেছে নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার বড় মহেষপুর (মাইবা) গ্রামে । পরকীয়া প্রেমের টানে ৭ বছরের মেয়ে ও স্বামী সংসার ছেড়ে এক আদিবাসী যুবকের ঘরে উঠেছে ইসলাম ধর্মের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি এলাকায় লোকজনের মাঝে ব্যাপক  আলোড়ন ও কৌতূহলের সৃস্টি  করেছে।

লোকজন জানায়, মহাদেবপুর উপজেলার বড় মহেষপুর (মাইবা) দিঘীর পাড় গ্রামের আদিবাসী মংলা পাহানের যুবক ছেলে আনন্দ পাহান (২৪) নওগাঁ সদর উপজেলার ইসলাম ধর্ম পরিবারের এক গৃহবধুর সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ঐ গৃহবধূকে পালিয়ে এনে বাড়িতে তুলেছে এবং রাতে আদিবাসী যুবকের সাথে ঐ গৃহবধূর মালা বদল করার ঘটনা ও ঘটেছে।

porokia nowga

ঘটনাটির সত্যতার ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য, উজ্জল হোসেন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমি ও এলাকার লোকজনের মুখে শুনেছি ।

পরে সময়ের কণ্ঠস্বর প্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি কথা হয়  গৃহবধূ বৃষ্টি বেগম (২২) এর সঙ্গে ; বৃষ্টি বেগম অবলীলায় বলেন ঃআমার স্বামী নওগাঁ শহরে একটি ব্যাগের দোকানের কর্মচারী,আমাদের ইরানী আক্তার নামের ৭ বছরের একটি মেয়ে সন্তান  আছে। আমার স্বামী দীর্ঘদিন বাড়িতে না থাকায় ও স্বামী আদর সোহাগ থেকে বঞ্চিত থাকার কারনে আনন্দর সাথে আমার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে এবং আমি সন্তান ও স্বামী সংসার ছেড়ে এসে আনন্দর বাড়িতে উঠেছি। স্বামী সংসার থেকে পালিয়ে এসে আদিবাসী যুবক আনন্দ পাহানকে বিয়ে করেছেন এমনটিই দাবি করে বলেন ।

এ সময় প্রতিবেদক আনন্দ ও বৃষ্টি বেগমের কাছে বিয়ের কোন কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলেও তারা দেখাতে পারেননি। তবে এসময় ঐ গ্রামের রহিনা পাহান, দুলাল পাহান ও দিলিপ পাহান বলেন, গ্রামের সব নারী-পুরুষের সামনেই গত  বরিবার রাতে তারা আমাদের আদিবাসী রীতি অনুযায়ী বিয়ে করেছেন।

তারা আরো বলেন, গৃহবধূ বৃষ্টির পিতা-মাতা নিতে এলেও বৃষ্টি না যাওয়ায়, সোমবার তার পিতা-মাতা নিরুপায় হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। তবে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় পর্যন্ত তার স্বামীর পরিবারের কোন লোকজন আসেনি বলেও জানিয়েছেন গ্রামের লোকজন ।