খালেদার আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত

১১:৩৩ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ৯, ২০১৭ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর – বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন পিছিয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালত এ আদেশ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিল। আইনজীবীরা তার পক্ষে শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে সময়ের আবেদন করেন। আদালত খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

গত ২ ফেব্রুয়ারি বিচারকের প্রতি অনাস্থা এবং এ মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে বেগম খালেদা জিয়ার দুটি আবেদন খারিজ করে দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য আজ ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছিল আদালত। এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি অসুস্থতাজনিত কারণে খালেদা আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়ার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য ছিল।

khaleda mamla

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। পরে ২০১০ সালের ৫ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন আর রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।