সানিকে দেখে আদালতের ভেতর অঝোরে কাঁদলেন নাসরিন

⏱ | বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৭ 📁 আলোচিত বাংলাদেশ, খেলা

সময়ের কণ্ঠস্বর– তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বুধবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইফুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

বেলা ২টায় তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় জামিন শুনানির জন্য সানিকে সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। এ সময় নাসরিন সুলতানাও ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। নাসরিন সানিকে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন।

jj-1-1এসময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, সানির জন্য আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমি চাই এ কষ্ট থেকে সানি মুক্তি পাক। সে আমাকে বলেছে তাকে কারাগার থেকে বের করলে স্ত্রী হিসেবে স্বীকার করে নেব। তবে নাসরিন জানান, সানি স্ত্রী হিসেবে আগে মেনে নিলেই মামলা তুলে নেব।

সানীর পক্ষে তার আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু এবং এম জুয়েল আহমেদ জামিন আবেদনের শুনানিতে বলেন, আরাফাত সানীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়। সে বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়ার। আমাদের জাতীয় সম্পদ। তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তাই তাকে জামিন দেয়া হোক।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম শামীম তার জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, নাসরিনের ছবি সানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে অপরাধ করেছে। সে যদি তার স্ত্রী হয় তাও ছবি প্রকাশ করতে পারে না।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, আসামির সঙ্গে নাসরিন সুলতানা নামের এক নারীর প্রায় ৭ বছর আগে পরিচয়ের সূত্রে উভয়ের ঘনিষ্টতা হয়। একপর্যায়ে তারা অভিভাবককে না জানিয়ে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। নাসরিন বিভিন্ন সময়ে বিয়ের বিষয়টি অভিভাবকদের অবহিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে তুলে নেয়ার জন্য বলেন। কিন্তু সানী তার কথা না ‍শুনে ভয়ভীতি দেখায়।

গত বছর ১২ জুন রাতে সানী নাসরিনের নাম এবং মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে ওই আইডি থেকে নাসরিনের খোলা আইডিতে অন্তরঙ্গ অশ্লীল ছবি ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠায়। এ ছাড়া নানা রকম হুমকি দিতে থাকে।

২২ জানুয়ারি সকালে আমিনবাজারের বাসা থেকে সানীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৫ জানুয়ারি তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন নাসরিন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।