🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ভারতে জেগে উঠেছে ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি


❏ শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৭ আন্তর্জাতিক

news_picture_42703_var02


সময়ের কণ্ঠস্বরঃ

ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি তার ঘুম ভেঙে জেগে উঠেছে। ১৫০ বছর পর ঘুম থেকে জেগে উঠেছে এ আগ্নেয়গিরি। আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই ও লাভা নির্গত হচ্ছে। আর ছাই এ ছেয়ে গেছে আকাশ বাতাস।

আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি। ১৫০ বছর ধরে সুপ্ত থাকার পর ১৯৯১ সালে প্রথম জেগে ওঠে এটি। তারপর থেকে মাঝে মধ্যেই অগ্ন্যুৎপাত হতে দেখা যায়। চলতি বছর ২৩ জানুয়ারি সিএসআইএর-এনআইওর রিসার্চ শিপ-এ করে একটি দল গবেষণার জন্য ওই এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে ফের এ ধরনের ঘটনা দেখে। তারপর থেকে ভারতের বিজ্ঞানীরা এই আগ্নেয়গিরির উপরে নজর রাখেন।

এনআইও সূত্রে যানা জায়, শুক্রবারও সারা দিন অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। যা ৫ থেকে ১০ মিনিট করে স্থায়ী হচ্ছিল। ওই দিনও আগ্নেয়গিরির আশেপাশে নমুনা সংগ্রহ করছিলেন তারা। তখন আচমকাই আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে প্রচুর ছাই উঠতে শুরু করে। দিনের আলোয় প্রথমে শুধু ছাই দেখা যাচ্ছিল। পরে সন্ধ্যা হতেই আগ্নেয়গিরির গা বেয়ে লাল লাভা গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এখান থেকে ক্রমাগত লাভা ও ছাই উদগীরণ হয়ে চলছে।

এনআইও-র চিকিৎসক ডঃ অভয় মুধোলকরের নেতৃত্বে একটি দল গবেষক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করেছেন। ওই এলাকায় মাটি ও সমুদ্রের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছেণ গবেষকরা। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও আগ্নেয়গিরির মুখে জমে আছে ঘন মেঘ। তা থেকে আরও কয়েকদিন এই উদগীরণ চলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।