• আজ ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আইপিএলের ইতিহাসে লজ্জার রেকর্ড!

৪:১৮ অপরাহ্ন | সোমবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৭ Breaking News, খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক: ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্স- টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম ভয়ঙ্কর তিন ব্যাটসম্যান খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে। সেই দলটির বিপক্ষেই যখন কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৩১ রানে গুটিয়ে গেল, সবাই তখন কোহলিদের সহজ জয়ই আশা করছিলেন। কিন্তু কলকাতার বোলারদের তোপের মুখে পড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ব্যাঙ্গালুরুর ইনিংস; দলটি গুটিয়ে যায় মাত্র ৪৯ রানে। আইপিএলের ইতিহাসে এটাই সর্বনিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ড।

রোববার ইডেন গার্ডেন্সে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯.৩ ওভারে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় কলকাতা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯.৪ ওভারেই ৪৯ রানে অলআউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়ে বাড়ি ফেরে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু। ফলে ৮২ রানে দারুণ জয় পায় গৌতম গম্ভীরের দল।

ব্যাঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যানদের সবার নামের পাশেই মোবাইলের জিডিট। অধিনায়ক কোহলি তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি; মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এছাড়া গেইল ৭, ডি ভিলিয়ার্স ৮, মান্দীপ সিং ১, কেদার যাদব ৯, স্টুয়ার্ট বিনি ৮, পবন নেগি ২, স্যামুয়েলস বদ্রি ০, টাইমেল মিলস ২, শ্রীনাথ অরবিন্দ ৫ ও চাহাল ০ রান করেন।

কলকাতার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন নাথান কোল্টার-নিল, ক্রিস ওকস ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম। অপর উইকেটটি নেন উমেশ যাদব।

এর আগে আইপিএলে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জার রেকর্ড ছিল রাজস্থান রয়্যালসের অধীনে। ২০০৯ সালে কেপটাউনে ব্যাঙ্গালুরর বিপক্ষে ৫৮ রানে গুটিয়ে যায় রাজস্থান। আট বছর পর শিকারিই শিকারে পরিণত হলো।

দলের এমন বাজে পারফরম্যান্সে বেশ হতাশ কোহলি। এটিকে নিজেদের সবচেয়ে বাজে ব্যাটিং পারফরম্যান্স হিসেবে উল্লেখ করেন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক, ‘আমাদের সবচেয়ে বাজে ব্যাটিং পারফরম্যান্স। এটি সত্যিই যন্ত্রনাদায়ক। প্রথম ইনিংস শেষে মনে হচ্ছিল আমরা সহজেই রান তাড়া করতে পারবো। খুবই ‘জঘন্য’ ব্যাটিং। এই মুহূর্তে আমি কিছুই বলতে পারবো। এমন ব্যাটিং অগ্রহণযোগ্য।’

বিপরীত অবস্থা কলকাতা শিবিরের। বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে প্রথম ইনিংস শেষেই বলতে গেলে জয়ের আশাই ছেড়ে দিয়েছিল দুবারের চ্যাম্পিয়নরা। কলকাতার ইংলিশ অলরাউন্ডার ওকসের যেন এমন দুর্দান্ত জয় বিশ্বাসই হচ্ছে না, ‘অবিশ্বাস্য জয়। প্রথম ইনিংস শেষে ড্রেসিং রুমে সবার মাথা নিচু ছিল। কিন্তু আমরা মাঠে নেমে লড়াইয়ের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। শুরুতেই আমাদের উইকেটের দরকার ছিল। ওপেনিং বোলাররা সেটি করে দেখিয়েছে এবং অন্যরা সাপোর্ট দিয়েছে। আমরা যখন উইকেট নেয়া শুরু করি তখনই সবার মধ্যে জয়ের বিশ্বাস চলে এসেছে।’