সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পাবনায় ধর্ষণ মামলায় ক্লিনিক মালিক আটক

৯:৫৫ অপরাহ্ন | সোমবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৭ Breaking News, দেশের খবর, রাজশাহী

আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনায় ধর্ষণ মামলায় শহিদ আনিছুর রহমান ক্লিনিকের মালিক মিজানুর রহমান শরিফ (৪৫) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শরিফ পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর ক্যালিকো এলাকার মৃত শহিদ আনিছুর রহমানের ছেলে। ধর্ষিতা পাবনার কাশিনাথপুরের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাবনা খেয়াঘাট মোড়ে শহিদ আনিছুর রহমান ক্লিনিকে এক আয়া কাজ করত। প্রতিদিনের মত কর্ম শেষে ক্লিনিকের দ্বিতীয় তলার ২ নং কেবিনে গুমিয়ে পড়েন। পরে রাত আনুমানিক ১ টার দিকে মালিক রুমের দড়জায় গিয়ে আয়াকে ডাকাডাকি করে। এ সময় আয়া মনে করে হয়ত কোন রুগি আসছে মনে করে দড়জা খুলে দেয়। মালিক রুমে ঢুকে দড়জা বন্ধ করে দিয়ে তাকে জোরপুর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় আয়া চিৎকারের চেষ্টা করলে ক্লিনিক মালিক আয়াকে বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখায়। মান সম্মানের ভয়ে আয়া ক্লিনিক মালিককে তার সম্মানহানী না করার জন্য অনেক কাকুতি মিনতি করেন। তার পরও ঘাতক ক্লিনিক মালিক আয়াকে ধর্ষণ করে। গত ৩ মার্চ শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। পরের দিন সকালে পাবনা সদর থানায় আয়া বাদি হয়ে ধর্ষণ মামলা করেন।

এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, এ ঘটনায় আয়া বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ক্লিনিক মালিক ক্লিনিকের সমস্ত মালামাল গুছিয়ে রাতের অন্ধকারে পাবনা থেকে ঢাকার উদ্যেশে রওয়ানা হওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের একটি ফ্লাট বাসা থেকে সোমবার সকালের দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

ধর্ষকের স্ত্রী সাহানাজ সুলতানা জানান, মামলা হওয়ার পর আমাকে তালাক দিয়ে ফেইসবুকে পরিচিত হওয়া ঢাকার মিরপুর পল্লবী থানার আশিকা বিনতে ওলি নামের মেয়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধণে আবদ্ধ হয় বলে জানান তিনি।